বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটা অম্লমধুর। নিত্যনতুন আবিষ্কারে আমরা মোহিত হই, হাততালি দিই, বড়াই করি। কিন্তু আনন্দ থিতিয়ে গেলেই বুঝতে পারি আমাদের শৈশবের চেনা শোনা পৃথিবীটা বদলে গেছে বিলকুল। মন তখন ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে। “এতটা উন্নতির কি সত্যিই প্রয়োজন ছিল?” —প্রশ্নটা বারবার চেতনায় ধাক্কা মেরে যায়। আর ওই প্রশ্নোত্তরের খেলা খেলতে [আরো পড়ুন]

Tags: ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, সম্পাদকীয়

অনুবাদ, মৌলিক গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধের সমাহার

কল্পবিজ্ঞান সাহিত্য পরিচয় ৩: ভারতীয় সায়েন্স ফিকশনের ইতিহাস ও অবয়ব
সাম্প্রতিককালে ভারতীয় সায়েন্স ফিকশনের বিষয়ে আগ্রহ বেশ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং বেশ কিছু গবেষণাপত্র, রিভিউ, আর্টিকেল ইত্যাদি প্রায় নিয়মিত প্রকাশ পাচ্ছে।
প্রহরী
কিছুটা সময়ের জন্য খুদে যন্ত্রটা থমকে দাঁড়াল রাস্তার মাঝখানে। দিনের পর দিন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিয়ম মেনে এতকাল সে যে রাস্তায় অন্যান্য যন্ত্রদের মতো টহলদারি করে এসেছে ঠিক সেখানে। রোগ সংক্রমণের বিভিন্ন পরিস্থিতির কথা
অনীশ আর্কাইভ
অনীশ দেব (১৯৫১ - ২০২১)
বাংলা কল্পবিজ্ঞান জগতের মহীরুহ অনীশ দেব আর নেই। মারণ ভাইরাস কেড়ে নিল বর্ষীয়ান এই সাহিত্যিককে। এই ঘোর কালান্তক সময়ে দাঁড়িয়ে এমন এক আঘাতে বাংলা কল্পবিজ্ঞানের ভিত্তিপ্রস্তর কাঁপিয়ে দেওয়ার
গোলচক্করে ঘুরপাক
গ্রেগরি পাওয়েল মাঝে মধ্যেই মনে রাখার মতো এক-একটা মন্তব্য করে থাকে। তার একটা হল, “লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে সমস্যার সমাধান হয় না।” তাই মাইক ডোনোভান যখন সিঁড়ি ভেঙে প্রায় লাফিয়ে লাফিয়ে নেমে এল, তখন ওর মাথার চারদিকে
সম্পাদকীয়
বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটা অম্লমধুর। নিত্যনতুন আবিষ্কারে আমরা মোহিত হই, হাততালি দিই, বড়াই করি। কিন্তু আনন্দ থিতিয়ে গেলেই বুঝতে পারি আমাদের শৈশবের চেনা শোনা পৃথিবীটা বদলে গেছে বিলকুল। মন তখন
শতবর্ষে 'রোবট', চেক প্রজাতন্ত্রের শ্রেষ্ঠ উপহার
আজ থেকে প্রায় একশো বছর আগে রাশিয়ান-বেলারুশিয়ান বর্ডারের কাছে পেট্রোভিচি (Petrovichi) গ্রামে অ্যাজিমভদের (Azimovs) ইহুদি পরিবারে এক শিশুর জন্ম হয়। বাবা-মা বাচ্চাটির নাম দেন
রোজামের যন্ত্রদাস
Domin: (Smile) Now, the thing was how to get the life out of the test tubes, and hasten development and form organs, bones and nerves, and so on, and find such substances as catalytics, enzymes, hormones
রুপোলি পর্দার যন্ত্রমানব
আশির দশকের মাঝামাঝি যাদের ছেলেবেলা কেটেছে তাদের সকলেরই বোধহয় দুজন কমন বন্ধু (আজকের ফেসবুকের ভাষায় মিউচুয়াল ফ্রেন্ড) ছিল। একজন জনি সোকো। অন্যজন তার উড়ুক্কু রোবট। তখন টিভি বলতে সাদা-কালো, চ্যানেল
নক্ষত্রের আলো
ওদের কথাগুলো আর্থার ট্রেন্ট এক্কেবারে পরিষ্কার শুনতে পেল। উত্তেজনা ও রাগে ভরপুর কথাগুলো বুলেটের মত ছিটকে বেরিয়ে আসছিল রিসিভার থেকে। ‘‘ট্রেন্ট! তুমি পালাতে পারবে না। তোমার কক্ষপথ আমরা ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই
আসিমভের গোয়েন্দাগিরি
“আমরা ড. আসিমভের সঙ্গে দেখা করতে চাই।”
     রোবট দুটির মধ্যে যার দেহটি একদম ধাতব এবং রুপোলি রঙের মধ্যে একটা নীলচে আভা খেলে যাচ্ছে সে-ই বলে উঠল রিসেপশন ডেস্কে এসে ।
     “কিন্তু উনি তো কনফারেন্সে

অসামান্য প্রচ্ছদটি এঁকে সংখ্যাটিকে সর্বাঙ্গসুন্দর করে তুলেছেন শ্রীমান রনিন। 

অনীশ আর্কাইভ

অনীশ দেব (১৯৫১ – ২০২১)

বাংলা কল্পবিজ্ঞান জগতের মহীরুহ অনীশ দেব আর নেই। মারণ ভাইরাস কেড়ে নিল বর্ষীয়ান এই সাহিত্যিককে। এই ঘোর কালান্তক সময়ে দাঁড়িয়ে এমন এক আঘাতে বাংলা কল্পবিজ্ঞানের ভিত্তিপ্রস্তর কাঁপিয়ে দেওয়ার মতো এই সংবাদে স্তম্ভিত কল্পবিশ্ব পরিবার। আমাদের তরফে অনীশ দেবের পারিবারিক সদস্য ও আপনজনদের প্রতি রইল গভীর সমবেদনা।

 

সংকল্প সেনগুপ্ত

[আরো পড়ুন]

Tags: অনীশ দেব, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, স্মৃতিচারণ

রোবট, যন্ত্র মানুষ বা কলের গোলাম— যে নামেই তাকে ডাকো না কেন, টিভি আর সিনেমার পর্দায় উপস্থিতির জন্যে তারা আজ কারো কাছেই অপরিচিত নয়। আধুনিক প্রযুক্তিবিদ্যা যদিও রোবট তৈরির ব্যাপারে লেখকের কল্পনা এবং কলমকে টেক্কা দিতে পারেনি এখনও, তবু স্বনিয়ন্ত্রিত কলকারখানায় আর গবেষণাগারে তাদের ব্যবহার দেখে মনে হয়, সেই দিন আর আসতে তেমন দেরি নেই। আধুনিক রোবটের [আরো পড়ুন]

Tags: দীপ ঘোষ, প্রবন্ধ, প্রমিত নন্দী, বিশেষ আকর্ষণ, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, সোহম গুহ

গোলচক্করে ঘুরপাক

গ্রেগরি পাওয়েল মাঝে মধ্যেই মনে রাখার মতো এক-একটা মন্তব্য করে থাকে। তার একটা হল, “লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে সমস্যার সমাধান হয় না।” তাই মাইক ডোনোভান যখন সিঁড়ি ভেঙে প্রায় লাফিয়ে লাফিয়ে নেমে এল, তখন ওর মাথার চারদিকে ছড়িয়ে পড়া ঘামে নেতিয়ে থাকা লালচে চুলগুলোর দিকে ভুরু কুঁচকে তাকিয়ে পাওয়েল জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে? আঙুলের নখ উপড়ে ফেললে না কি?”

     উত্তেজিত [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ উপন্যাস, আইজ্যাক আসিমভ, প্রমিত নন্দী, রুদ্র দেব বর্মন, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

আসিমভের গোয়েন্দাগিরি

“আমরা ড. আসিমভের সঙ্গে দেখা করতে চাই।”

     রোবট দুটির মধ্যে যার দেহটি একদম ধাতব এবং রুপোলি রঙের মধ্যে একটা নীলচে আভা খেলে যাচ্ছে সে-ই বলে উঠল রিসেপশন ডেস্কে এসে ।

     “কিন্তু উনি তো কনফারেন্সে আছেন,” রিসেপশন ডেস্ক থেকে সুসান বলল। “কী দরকার শুনি? অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া তো দেখা হবে না।” বলেই সুসান কম্পিউটারে ক্যালেন্ডার খুলে বসল।

     ওদিকে চকচকে বার্নিশ [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, কনি উইলিস, প্রমিত নন্দী, বড় গল্প, রাকেশকুমার দাস, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

গামবারাগারার সাদা মানুষ

অরিন্দমদার সঙ্গে আমার প্রথম আলাপ আফ্রিকায়। রুয়েঞ্জরি পাহাড়ের নীচে রুবোনি নামে একটা জায়গায়। এটা উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা থেকে প্রায় পৌনে চারশো কিলোমিটার দূরে। রুয়েঞ্জরি পাহাড়ে ওঠার প্রথম ক্যাম্প। একটা সাফারি ভ্যান আমাকে নামিয়ে দিয়ে গেছে।

     রুবোনি ক্যাম্পে কয়েকটা টিনের ছাউনি দেওয়া কাঠের আর পাথরের ঘর আছে। একটা হলের মতো লাউঞ্জ। আধুনিক [আরো পড়ুন]

Tags: কল্পবিজ্ঞান গল্প, প্রদীপ কুমার সেনগুপ্ত, বড় গল্প, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

রুপোলি পর্দার যন্ত্রমানব

আশির দশকের মাঝামাঝি যাদের ছেলেবেলা কেটেছে তাদের সকলেরই বোধহয় দুজন কমন বন্ধু (আজকের ফেসবুকের ভাষায় মিউচুয়াল ফ্রেন্ড) ছিল। একজন জনি সোকো। অন্যজন তার উড়ুক্কু রোবট। তখন টিভি বলতে সাদা-কালো, চ্যানেল বলতে দূরদর্শন। টিভির সেই আদ্যিকালের দর্শকদের কাছে জনি সোকো ও তার রোবটের কার্যকলাপ থ্রি-ডির মতোই জ্যান্ত হয়ে উঠত।

    জনি সোকো তার হাতঘড়ির কাছে [আরো পড়ুন]

Tags: প্রবন্ধ, বিশেষ আকর্ষণ, বিশ্বদীপ দে, মূল প্রচ্ছদ, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

হেমেন্দ্রকুমার রায় ও বাংলা কল্পবিজ্ঞান

কল্পবিজ্ঞানের জন্মদাতা

বাংলা সাহিত্যে এই ‘জঁর’-এর পথিকৃৎ কে?

     অধ্যাপক অনীশ দেব, তাঁর সম্পাদিত সেরা কল্পবিজ্ঞান সঙ্কলনের মুখবন্ধে বলেছেন:

     … বাংলাভাষায় কল্পবিজ্ঞানের সূচনা ১৮৯৬ সালে, আচার্য জগদীশচন্দ্র বসুর কলমে। কুন্তলীন পুরস্কার প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে তাঁর ‘নিরুদ্দেশের কাহিনী’ গল্পটি। এর পঁচিশ বছর পরে ‘অব্যক্ত’ গ্রন্থ [আরো পড়ুন]

Tags: প্রদোষ ভট্টাচার্য্য, প্রবন্ধ, প্রমিত নন্দী, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, হেমেন্দ্রকুমার রায়

সায়েন্স ফিকশন: রূপকথার রূপান্তর?

‘সায়েন্স ফিকশন’ শব্দবন্ধ দিয়ে যে ঘরানাটিকে চিহ্নিত করা হয়, তাকে পত্রপত্রিকায় নানা সময়ে নানা নামে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিজ্ঞানভিত্তিক কল্পকাহিনি বা বিজ্ঞানসুবাসিত (?) অ্যাডভেঞ্চার হিসেবে এই ধারার লেখা আমরা নানা পূজাবার্ষিকী ও সংকলনে পড়েছি। বাংলায় এমন লেখালেখিতে একটা সুনির্দিষ্ট বাঁক-বদল আসে ছয়ের দশকে। তারও অনেক পরে এই ধারাকে ‘কল্পবিজ্ঞান’ [আরো পড়ুন]

Tags: ঋজু গাঙ্গুলী, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

কল্পবিজ্ঞান সাহিত্য পরিচয় ৩: ভারতীয় সায়েন্স ফিকশনের ইতিহাস ও অবয়ব

সাম্প্রতিককালে ভারতীয় সায়েন্স ফিকশনের বিষয়ে আগ্রহ বেশ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং বেশ কিছু গবেষণাপত্র, রিভিউ, আর্টিকেল ইত্যাদি প্রায় নিয়মিত প্রকাশ পাচ্ছে। ভারতীয় ফিকশন নিয়ে গবেষণার নবোদ্যমের এই জোয়ারে সুপর্ণ ব্যানার্জী রচিত ‘ইন্ডিয়ান সায়েন্স ফিকশন – প্যাটার্ন্স, হিস্ট্রি এন্ড হাইব্রিডিটি’ বইটি একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবার দাবি রাখে।

[আরো পড়ুন]

Tags: গ্রন্থ পরিচিতি, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, সুপর্ণ ব্যানার্জী, সুমিত বর্ধন

কল্পবিজ্ঞান সাহিত্য পরিচয় ১: লাস্ট অ্যাকশন হিরো

এ এক সুদূর ভবিষ্যতের গল্প।

     সেখানে প্রযুক্তি আছে বিস্তর। আছে জন্ম-মৃত্যু, আশা-নিরাশা। আছে স্বপ্ন আর ভবিষ্যতের ভাবনা। আছে টিন-এজারের মুড সুইং আর স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া।

     ভাবছেন, তাহলে বর্তমানের সঙ্গে সেই সময়ের কী আর এমন পার্থক্য আছে?

     প্রথমত, মানবতা ততদিনে ছড়িয়ে গেছে গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে— অন্য ছায়াপথে, নীহারিকারও সুদূর পারে। তার নানা কোণে [আরো পড়ুন]

Tags: ঋজু গাঙ্গুলী, কল্পবিজ্ঞান সাহিত্য পরিচয়, গ্রন্থ পরিচিতি, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

কল্পবিজ্ঞান সাহিত্য পরিচয় ২

প্রাক-কথন

কল্পবিশ্ব আন্দোলনের শরিক হিসেবে মাঝে মধ্যেই একটি প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে, ছোটদের জন্য নতুন কল্পবিজ্ঞান কোথায়? আমরা মূলত পরিণতমনস্ক গল্প নিয়ে কাজ করলেও, ছোট্ট পড়ুয়াদের অন্য ধারার লেখার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবার দায় অমাদেরও কিছু কম নয়। সে কথা মাথায় রেখেই ঠিক করেছি, এবার থেকে পুস্তক পরিচিতিতে অন্তত একটা করে শিশু অথবা কিশোরপাঠ্য নতুন বইয়ের খবর রাখব।

[আরো পড়ুন]

Tags: কল্পবিজ্ঞান সাহিত্য পরিচয়, কুনাল কর্মকার, গ্রন্থ পরিচিতি, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

রোবট চরিত্র

গৌতম বলে ডেকে, ‘শুনুন হে বিজ্ঞানী,

রোবট নতুন নয়— পুরানেতে এই জানি।

বেতাল নামে রোবট পুষেছেন বিক্রম;

আলাদিন পুষেছিল, সে দানবও নয় কম।

রামের যে হনুমান, আসলে রোবটই সে,

যে-কোনও মানুষকেই মেরে দিত সে পিষে।’

সাত্যকি বললেন, ‘শোনো ওহে গৌতম,

রোবটের সূত্রতে বলে নাকো সেরকম।

তিনটি সূত্র আছে রোবটের স্বভাবে,

শর্তও বলা যায়। একটারও অভাবে

রোবট হবে না সেটা, হবে ক্রীতদাসই সে—

প্রভুর [আরো পড়ুন]

Tags: কবিতা, রেবন্ত গোস্বামী, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

রোবোটিক লিমেরিক

(১)

রোবট গড়েছে নিজে, প্রফেসর সবিতা,

খুঁজে পায় যা কিছু ব্রেনে গাঁথে সবই তা।

একদিন কাজ শেষে,

রোবটটা বলে বসে,

বাকি সব বুঝলেও, বুঝিনিকো কবিতা।

 

(২)

শাকচুন্নি বলল কেঁদে, ভূতের রাজার দ্বারে,

চাপতে নাকাল হচ্ছি ভীষণ, মানুষগুলোর ঘাড়ে।

গড়ছে তারা রোবট যত,

দেখতে ঠিকই তাদের মতো,

কোনটা রোবট, কোনটা মানুষ, বুঝব কেমন করে?

 

(৩)

উন্নত এক যুগের কথা, একুশ হাজার কুড়ি,

শৈশবটা হারিয়ে গেছে, হঠাৎ গেছে চুরি।

[আরো পড়ুন]

Tags: অর্নব ভট্টাচার্য্য, লিমেরিক, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

ভিডিয়ো গেম রিভিউ – সাইবারপাঙ্ক ২০৭৭

CYBERPUNK 2077

Genre: RPG

Publisher: CD Projekt

Release Date: 10 December, 2020

Platform(s): Windows, PlayStation, Xbox

 

সাইবারপাঙ্ক নামটা কল্পবিজ্ঞান অনুরাগীদের কাছে আজ আর নতুন কিছু নয়। ১৯৭০-৮০-র দশকে প্রযুক্তিবিজ্ঞানের অভাবনীয় অগ্রগতি ও গ্লোবালাইজেশনের ফলশ্রুতি হিসেবে কল্পবিজ্ঞানের এই উপধারাটির আবির্ভাব। সাইবারপাঙ্কের মূলকথা হল মানুষের দিনযাপনের প্রতি পদে জালের মতো বিছিয়ে থাকা ভবিষ্যত প্রযুক্তি। তা যেমন [আরো পড়ুন]

Tags: অর্ণব শেঠ, ভিডিয়ো গেম রিভিউ, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

শতবর্ষে ‘রোবট’, চেক প্রজাতন্ত্রের শ্রেষ্ঠ উপহার

আজ থেকে প্রায় একশো বছর আগে রাশিয়ান-বেলারুশিয়ান বর্ডারের কাছে পেট্রোভিচি (Petrovichi) গ্রামে অ্যাজিমভদের (Azimovs) ইহুদি পরিবারে এক শিশুর জন্ম হয়। বাবা-মা বাচ্চাটির নাম দেন আইজ্যাক। তাঁর সঠিক জন্ম তারিখ জানা যায় না, আন্দাজ করা হয় অক্টোবর ১৯১৯ থেকে ১৯২০ এর শুরুর দিকের মধ্যে তাঁর জন্ম। ১৯২৩ সালের তেসরা ফেব্রুয়ারি, আর এম এস বাল্টিকে চড়ে অ্যাজিমভের পরিবার নব্য [আরো পড়ুন]

Tags: জারোস্লাভ ভেইস, দীপ ঘোষ, প্রচ্ছদ কাহিনি, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, সুপ্রিয় দাস

রোজামের যন্ত্রদাস

Domin: (Smile) Now, the thing was how to get the life out of the test tubes, and hasten development and form organs, bones and nerves, and so on, and find such substances as catalytics, enzymes, hormones in short – you understand?

Helena: Not much, I’m afraid.

Domin: Never mind. (Leans over couch and fixes cushion for her back) There! You see with the help of his tinctures he could make whatever he wanted. He could have produced a Medusa with the brain of Socrates or a worm fifty yards long— (She laughs. He does also; leans closer on couch, then straightens up again) —but being without a grain of humor, he took into his head to make a vertebrate or perhaps a man. This artificial living matter of his had a raging thirst for life. It didn’t mind being sown or mixed together. That couldn’t be done with natural albumen. And that’s how he set about it.

Helena: About what?

Domin: [আরো পড়ুন]

Tags: প্রচ্ছদ কাহিনি, প্রবন্ধ, রনিন, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায়

নিত্যতা সূত্র

এই ছোঁয়াচে অসুখে জর্জর, আতঙ্কগ্রস্ত শহরের আকাশেও শেষ বিকেলে রামধনুটা শুহার মন ভালো করে দিল। এমনকি এখনও। একান্ত সাময়িক যদিও। সাবান কাচার পর ডেটলে চুবিয়ে রোদে মেলা কাপড়গুলো তুলতে এসেছিল ছাদে। একতলার ঘুপচি থেকে, অন্ধকার ইট বেরোন এবড়োখেবড়ো সিঁড়ি পেরিয়ে ছাদের আকাশটাই একমাত্র সান্ত্বনা শুহার দুর্বিষহ শ্বশুরঘরে। কাপড়গুলো তুলে ওপরে চোখ তুলেই [আরো পড়ুন]

Tags: গল্প, প্রমিত নন্দী, শ্রেয়া ঘোষ, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

অনুভূতি

ঠিক এই মুহূর্তে ডক্টর শ্রুলের মাথায় অনেকগুলো প্রশ্ন। প্রথম যে প্রশ্নটা মাথায় আসছে, সেটা হল কেন এই অভিযানে ত্রিশিনার মতো একজন শিক্ষানবিশ ইঞ্জিনিয়ারকে তার সঙ্গে দেওয়া হল। ত্রিশিনা হল তাদের এই মহাকাশ অভিযানের একমাত্র ইঞ্জিনিয়ার। সেই ইঞ্জিনিয়ার যদি একজন শিক্ষানবিশ কেউ হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে যে অভিযানটা বিজ্ঞান একাডেমির কাছে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ [আরো পড়ুন]

Tags: কল্পবিজ্ঞানের গল্প, গল্প, রুশদী শামস, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

উড়ান প্রবাহ

(১)

বিজ্ঞানী বিশ্ববসু (আই এন ডি ৪০৮৫ –বায়ো সায়েন্স /বি.বি ২০৮৫)

সাল: ৪১২৫

স্থান: দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া

[আরো পড়ুন]

রিমোট কন্ট্রোলের সবুজ বোতামটা টিপতেই চোখের সামনে থেকে গোলাপি আলোর পর্দাটা সরে গেল। বিশ্ববিদ্যালয়ের আড়াই হাজারতম রে ওয়ের ধারে তিনলক্ষতম বাসস্থানটি বিজ্ঞানী বিশ্ববসুর। বাসস্থান মানে হাওয়ায় ভাসমান কিছু আলোককুঠুরি। বাইরে থেকে দেখলে [আরো পড়ুন]

Tags: অন্বেষা রায়, গল্প, প্রমিত নন্দী, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

মেরুজ্যোতি

মিসেস উইলসনের বাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ যখন ডোরবেল টিপছি, আকাশটা তখন জ্বলজ্বলে নীল-সবুজে মেশামিশি মেরুপ্রভায় যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে। দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতেই আমি খেয়াল করলাম, ওই উজ্জ্বল আলোর মধ্যে একটুখানি গোলাপির আভাও যেন দেখা যাচ্ছে।

     বহু পুরোনো রোবট চাকরটা নড়ে নড়ে এসে যতক্ষণে দরজা খুলল, ততক্ষণে দরজার বাইরে অরোরা দেখে দেখে আমার প্রায় আড়াই মিনিট কেটে গেছে।

[আরো পড়ুন]

Tags: গল্প, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

হৃদয়হীনা

সকাল ৯টা। দ্বৈপায়নের আজও মনে হয় লেট হয়ে যাবে অফিসে। স্নান সেরে গায়ে জামা গলাতে গলাতে কোনওমতে টোস্টে জ্যাম লাগিয়ে এক কামড় দিয়েছে কি দেয়নি, দেওয়ালের কোণায় ঝোলানো যোগাযোগযন্ত্রে বিপ শব্দ আর আলো জ্বলা শুরু হল, সঙ্গে যান্ত্রিক কণ্ঠে উচ্চারণ, “ইনকামিং কল ফ্রম মা, প্লিজ রিসিভ।”

     “উফ, এই সময় আবার কেন…” বলতে বলতেই থ্রিডি প্রোজেক্টরের আলোটা শূন্যে [আরো পড়ুন]

Tags: ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, সপ্তর্ষি চ্যাটার্জী

প্রহরী

কিছুটা সময়ের জন্য খুদে যন্ত্রটা থমকে দাঁড়াল রাস্তার মাঝখানে। দিনের পর দিন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিয়ম মেনে এতকাল সে যে রাস্তায় অন্যান্য যন্ত্রদের মতো টহলদারি করে এসেছে ঠিক সেখানে। রোগ সংক্রমণের বিভিন্ন পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ওরই মতো আরও খুদে খুদে যন্ত্র তৈরি করা হয়েছিল যাতে তারা সংক্রমণের হার নির্ণয় করতে পারে। তাদের যদিও সেই সমস্ত পরিস্থিতির [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, কার্লোস সুচলওস্কি কন, প্রমিত নন্দী, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, সৌরভ ঘোষ, স্প্যানিশ অনুবাদ

নক্ষত্রের আলো

ওদের কথাগুলো আর্থার ট্রেন্ট এক্কেবারে পরিষ্কার শুনতে পেল। উত্তেজনা ও রাগে ভরপুর কথাগুলো বুলেটের মত ছিটকে বেরিয়ে আসছিল রিসিভার থেকে। ‘‘ট্রেন্ট! তুমি পালাতে পারবে না। তোমার কক্ষপথ আমরা ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই খুঁজে পেয়ে যাব। আর তুমি যদি বাধা দিতে যাও, মহাশূন্যেই ধ্বংস করে দেব তোমায়।’’

     ট্রেন্ট হাসল। কিন্তু কিছুই বলল না। তার কাছে কোনও অস্ত্র-টস্ত্র [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, আইজ্যাক আসিমভ, প্রমিত নন্দী, বিশ্বদীপ দে, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

পরীক্ষা

‘প্রথম টাইম মেশিন, ভদ্রমহোদয়গণ।’ গর্বের সঙ্গে তার দুই সহকর্মীকে জানালেন প্রোফেসর জনসন, ‘সত্যি বলতে কী, এটি ছোট আকারের এক পরীক্ষামূলক মডেল। তিন পাউন্ড, পাঁচ আউন্সের কম ওজনের জিনিসের ক্ষেত্রেই এটা শুধু কাজ করবে। তাও অতীত বা ভবিষ্যতে বারো মিনিটের মতো দূরত্ব পর্যন্ত। তবে এটা কাজ করবে।’

     ছোট আকারের মডেলটি দেখতে ওজন মাপার ছোট যন্ত্রের মতো। পার্থক্য [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, জটায়ু, ফ্রেডরিক ব্রাউন, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, সৌরভ রায়

আমি আজ বুকুন

“কে? বুকুন এলি?”

     ঘরের এক পাশে বিছানার সঙ্গে প্রায় মিশে থাকা মানুষটির অস্ফুট কাঁপা কাঁপা কণ্ঠস্বর ভেসে এল। ওই একটিই নাম থেকে থেকে বৃদ্ধার মনে পড়ে। তাঁর একমাত্র ছেলে।

     হ্যাঁ, আজ আমি বুকুন। আমার উচ্চতা আরও সাড়ে তিন ইঞ্চি বাড়িয়ে নিলাম। চোখের মণির রং বদলে আর-৫৩ জি-১৫ বি-৬-তে নিয়ে এলাম। ঘরের ভিতরে সাধারণত বুকুনের এটাই থাকে। গায়ের রংও তাঁর সঙ্গে [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, মার্টিন শুমেকার, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, সুদীপ দেব

স্মৃতি-সত্তা-ভবিষ্যৎ

চরিত্রলিপি

অনিকেত বর্মণ

দিব্যেন্দু মুখার্জী

মীরা মুখার্জী

বিশ্বরূপ

পারমিতা

সৌম্যশেখর গাঙ্গুলি

চিত্রা

 

গল্প ১

গিন্নি, কর্তা, প্রতাপচন্দ্র

গল্প ২

দিব্যেন্দু, রনি, শিখা, ছোটমামা, মামি

গল্প ৩

বিশ্বরূপ, পারমিতা, ভুটানি বৃদ্ধা

গল্প ৪

অমূল্য, পরমা, শশাঙ্ক, কৃষ্ণেন্দু, সিস্টার

(মঞ্চ অন্ধকার। ফোন বেজে ওঠে।)

—হ্যালো… নমস্কার। মিস্টার অনিকেত বর্মণ? আমি [আরো পড়ুন]

Tags: জটায়ু, তনুময় দত্ত, নাটিকা, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

অপার্থিব মেধার সন্ধানে – পরিশিষ্ট

মহাকাশের আবর্জনা

 

জানুয়ারি মাসের প্রায় শেষ— এখনও ঠান্ডার প্রকোপ ভালোমতনই রয়েছে। সন্ধেবেলা সোয়েটার পরে চাদর জড়িয়ে জুত করে কফি খাচ্ছিলাম। এমন সময়ে টেলিফোন বেজে উঠল। ‘কেমন আছ?’ গলা শুনেই বুঝলাম ফিলাডেলফিয়া থেকে প্রফেসর মহাকাশ ভট্ট ফোন করেছেন। শুভ সংবাদ— স্যার ফেব্রুয়ারির ৮ তারিখ ব্যাঙ্গালোর আসছেন— ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে [আরো পড়ুন]

Tags: অপার্থিব মেধার সন্ধানে, ইন্টারনেট, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, সনৎকুমার ব্যানার্জ্জী

স্পন্দন সিরিজ – প্রথম প্রাণের স্পন্দন ও আমরা (পর্ব-৪)

‘আজ কেমন আছেন প্রফেসর?’ পালস মনিটরের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করলেন ড. গ্লেন্স। হালকা হেসে প্রফেসর সেনগুপ্ত বললেন, ‘আজ অনেকটা ভালো ডক্টর, শুধু উইকনেস আছে।’ ‘দ্যাটস গুড, উই উইশ ইওর স্পিডি রিকভারি প্রফেসর। প্রায় বাহাত্তর ঘণ্টা পরে আপনার হার্টবিট আর পালসকে স্থিতিশীল করা গেছে। আই থিংক, ইউ আউট অব ডেঞ্জার নাও’ অকল্যান্ড গ্রীন সিটি হসপিটালের নিউরোসার্জেন ড. গ্লেন্স এর মুখ উজ্জ্বল হল।

[আরো পড়ুন]

Tags: ধারাবাহিক প্রবন্ধ, প্রবন্ধ, শুভময় ব্যানার্জী, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

It seems we can’t find what you’re looking for. Perhaps searching can help.

error: Content is protected !!