এখন

ষষ্ঠ বর্ষ দ্বিতীয় সংখ্যা

ষষ্ঠ বর্ষ দ্বিতীয় সংখ্যা - পূজাবার্ষিকী ১৪২৮ প্রকাশকাল - ১১ অক্টোবর ২০২১ অসামান্য প্রচ্ছদটি এঁকে সংখ্যাটিকে সর্বাঙ্গসুন্দর করে তুলেছেন শ্রীউজ্জ্বল

সম্পাদকীয়

মা এসেছেন। তাঁকে দেখতেও যাবো। তবে মাস্ক পরে। উৎসবে সামিল হব। তবে দূরত্ব রেখে। আনন্দ করব, তবে মেপে। এমনটা হবার

বাংলায় এইচ জি ওয়েলসের অনুপ্রেরণা, ‘পাস্টিশ’ ও রূপান্তর

বাংলায় এইচ জি ওয়েলসের অনুপ্রেরণা নিয়ে দুটি কাহিনি সম্বন্ধে কল্পবিশ্ব পত্রিকা-র ২০শে জুলাই ২০২১-তে প্রকাশিত ‘হেমেন্দ্রকুমার রায় ও বাংলা কল্পবিজ্ঞান’

রবীন্দ্রনাথ ও কল্পবিজ্ঞান

রবীন্দ্রনাথ কবি, রবীন্দ্রনাথ দার্শনিক। তিনি একাধারে গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, অঙ্কনশিল্পী, পরিবেশ বান্ধব, পল্লী সংস্কারক, এবং সর্বোপরি বিশ্বমানবতার একনিষ্ঠ পূজারীও!

চাঁদের মাঠে ওয়ান ডে

  ১ “হ্যালো! আবির? আমি দিব্য বলছি!” সঙ্গে সঙ্গে সাড়া দিতে পারল না আবির। “শুনছিস? কাল সুপারটাউনের সঙ্গে ম্যাচ। ঠিক

ঘুম-ঘর

  এই কাহিনি ভাবীকালের। এ ভাবীকাল আমাদের জীবনে কেন আমাদের ভাবী কয়েক পুরুষের জীবনেও হয়তো আসবে কিনা সন্দেহ। তবে ভারতের

নোবেল দিলেন ঘনাদা

১ কলকাতা শহরের দক্ষিণে একটি কৃত্রিম জলাশয় আছে, করুণ রসিকতার সঙ্গে আমরা যাকে হ্রদ বলে অভিহিত করে থাকি। জীবনে যাদের

ফাটল

কালাহান একজিট পোর্ট, তিন দিন আগে, পাগল বুড়ো “বুড়োওওও!” তীক্ষ্ণ গলার চিৎকার কানে আসামাত্র বুঝলাম, অলস দুপুরটার বারোটা বাজাল। আশফাক

ঝিঙ্গে-পোস্ত

  - মৃত্যুহানা - টক্‌ টক্‌ টক্‌! হরি আবার জোরে জোরে টোকা দিল ডা. যোশেফ মিত্রর দরজায়। বেশ কিছুক্ষণ ধরেই

বিবর

১ অতল বিবরের সঠিক ইতিহাস অজানা। কিংবদন্তীতে, জনশ্রুতিতে, দেবাসুরের সংগ্রাম থেকে আরম্ভ করে আকাশ থেকে নেমে আসা উল্কাপাত অবধি নানা

হোমো ইন্ডোসেনেক্সের সন্ধানে

১ কালকে সারাদিন ধরে ব্লিজার্ড চলেছে। তাঁবু থেকে বের হতেই পারিনি। আজ সকালে ঝকঝকে আকাশ। উত্তর দিকে শতপন্থ গ্লেশিয়ার। ওপারে

জঙ্গল পাহাড়ের দুঃস্বপ্ন

বীভৎস ব্যাপারস্যাপার নিয়ে যাঁরা লেখালেখি করেন, তাঁরা এই সব কাহিনি-টাহিনি কোথাও কোনও একটা উৎস আছে বলেই মনে করেন। সে সব

শ্যাডোজ ইন দ্য মুনলাইট

১ নলখাগড়ার বনে ধাবমান ঘোড়ার খুরের শব্দ শুনতে পাওয়া গেল। তারপরেই ভারী পতনের ধ্বনি। তার রেশ মিলিয়ে যাবার আগেই একটা

লুব্ধক: ১৮

“অনুপলাল?” “কল হোনেওয়ালা টেলি-কনফারেন্স কা খবর লিয়া?” খচমচ খচমচ করতে করতে পাশের ঘর থেকে বেরিয়ে এল হৃষ্টপুষ্ট চেহারার অনুপলাল। পেশার

হস্তীসঙ্গীত

अपरेयमितस्त्वन्यां प्रकृतिं विद्धि मे पराम् | जीवभूतां महाबाहो ययेदं धार्यते जगत् || ১ ছোটবেলায় বাবা-মায়ের সঙ্গে এখানে যখন প্রথমবার আসি,

মরণের মুখে রেখে

মানুষ চায় অনেক কিছু; কিছু পায়, কিছু পায় না; কেউ পায়, কেউ পায় না। কালিদাস বিদ্যা চেয়েছিল, পেয়েওছিল; রাধা কৃষ্ণকে

ইডেন

আজ ইভার মন খুশিতে মাতোয়ারা। অনেকদিন পর মনের মানুষ অদম্যের সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়েছে। হবু বরটা একদম গোবর গণেশ। আন-রোমান্টিক। তার

পাষাণী

“কোথায় নিয়ে যাচ্ছো? এই! এই যে! শুনতে পাচ্ছো না? তোমাকে বলছি! কোথায় নিয়ে যাচ্ছো আমাদের?” একটা তীব্র রিনরিনে কণ্ঠস্বর দেওয়ালের

সময় সরণি, এক স্বপ্নের খোঁজ

১ - এমন অমঙ্গুলে কথা সাতসকালে কী না বললেই নয়, প্রফুল্ল! ছেলেটা আমাদের কতদিন হল বাইরে গেছে, ভালো চিন্তা কর।

জিন মানব রবীন্দ্রনাথ

রবি তখনও থরথর করে কাঁপছিল। চারপাশের জনতা তাকে ঘিরে উল্লাসে ফেটে পড়ছে। একজোড়া বলিষ্ঠ হাত হঠাৎ তাকে শূন্যে তুলে নিল।

হোমো সুপিরিয়র

কাচের জানলা দিয়ে বাইরের তালশাঁসরঙা আকাশটার দিকে থম মেরে তাকিয়ে ছিল ইরাবতী। মুখভার করে থাকা আকাশটার মতো ওরও মন ভালো

দায়

একটা কোলাহলের শব্দে ঘুমটা ভেঙে গেল আমার। বিছানা ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে এসে দেখি বাড়ির পাশ দিয়ে জনা চার-পাঁচেক লোক একরকম

কল-স্বর

অবিনাশের আপিসে এসেছে অভিলাষ। সাড়ে চারটা পার তখন, ছুটি হব-হব, কিন্তু তখনো অবিনাশের হাত কামাই নেই। তখনো সে নিজের মেশিনে

উদ্যোগপর্ব

ঘণ্টা বাজছিল। ঠিক ঘণ্টা নয়। জন্তুর ডাকের মতো একটা শব্দ। শব্দটা ফের একবার আমাকে জাগিয়ে দিল এসে। এই নিয়ে অষ্টম

ডিজাইন বায়াস

‘একটা ব্যক্তিগত সমস্যার জন্য সায়াকা মুরাটা আজ এখানে আসতে পারেননি। আমরা এজন্য খুব দুঃখিত।’ বিখ্যাত প্রকাশনা সংস্থার দিক থেকে এই

শবাধার

১ আড়মোড়া ভাঙে ঢাকা শহর, রাস্তার শব্দে, মাইকের শব্দে একবার তার ঘুম ভাঙে, তারপর আবার ঘুমিয়ে পড়ে। কাজের দিনটাকে দূরে

কনট্যাক্ট

১ ধুকধুক করছিল শেষ-বেলার আলো। লাল সূর্যটা আর একটু পর ডুবে যাবে, কালচে কুয়াশার মতো আভায় তখন ভরে উঠবে চারদিক।

মহিমবাবুর আতান্তর

বাজার থেকে শুধুমাত্র এক আঁটি নটে শাক কিনে আনতে ভুলে গেছেন বলে মহিমবাবুকে আজ কি হেনস্থাটাই না হতে হল। গিন্নি

আজি হতে

সবজেটে আকাশটার দিকে একদৃষ্টে চেয়ে ছিল নীলোৎপল। এই মাঠটায় কেউ আসে না। মাঠ অবশ্য নামেই। শুধুই খানিকটা লালচে ধূসর জমি।

সুশ্রুত

১ ঘুম ভাঙতেই সুশ্রুতবাবুর মনে হল পৃথিবী ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। উনি অনেকক্ষণ বিছানায় পড়ে রইলেন। সব কিছু যখন ধুয়েমুছে গিয়েছে,

শোণিতরাঙা শ্বেতগোলাপ

এমনিতেও ‘দূরদর্শী’ হিসেবে খুব একটা সুনাম নেই আমার, তার উপর আবার ধূসর কুয়াশার পুরু আস্তরণটা বেশিদূর অবধি দেখার পথে অন্তরায়

ফোন আসবে…

ঝকঝকে একটা সকাল। অদ্রিজা ঝট করে কুর্তির ওপর একটা ওড়না জড়িয়েই বেরিয়ে পড়ল। লামহাট্টার পাহাড়ি শ্যাওলা পড়া সিঁড়ি দিয়ে নামতে

সেরার সেরা

“মা ও মা দরজা খোলো। আমার খুব ভয় করছে প্লিজ খোলো না মা। আমি আর কোনওদিন তোমার অবাধ্য হব না

শুরু থেকে শূন্য

২১০০ খ্রিস্টাব্দ। চার আলোকবর্ষ দূরের প্রক্সিমা সেন্টাউরি নক্ষত্রের প্রক্সিমা বি গ্রহে এখন হ্যাবিটেবল জোন বা বসবাসযোগ্য স্থান রয়েছে। সেখানকার মাটি

শিকার

গ্রেসু গ্রাম পেরিয়ে কয়েক মাইল আসতেই সন্ধে নামতে শুরু করল কার্পেথিয়ার গায়ে। ছোট টিলাটার উপরে পৌঁছে ঘোড়াটাকে দাঁড় করিয়ে চারিদিকে

অ-মানবী

পিসিকে আবছা মনে পড়লেও পিসেমশাইকে একদমই মনে পড়ে না অমিতাভর। আসলে পিসেমশাই চাকরি করতেন বাংলা থেকে অনেক দূরে সেই মধ্যপ্রদেশে।

এ ক্রাইম ইন টাইম

১৯২০ সাল, লন্ডন। সন্ধে থেকে আকাশে মেঘ করেছে। হয়তো কিছু পরেই বৃষ্টি শুরু হবে। আপাতত গুরুগম্ভীর শব্দের সঙ্গে সাদা বিদ্যুতের

গবেষণাগার

বাড়ির সামনের বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছেন অখিলেশবাবু। সামনের উঠোনে দুটো বেতের ঝুড়িতে রাখা রয়েছে কাঁচা আম, কালকের রাত্তিরের ঝড়ে পড়েছে। ঝুড়ির

ভূত নয়

হালকা হাতে স্টিয়ারিং ঘুরিয়ে সদর রাস্তার থেকে বাঁ দিকে ঘুরে গিয়ে রতন বলল— দেখ তো রাস্তাটা চিনতে পারছিস কিনা? তারপর

স্বর্ণ আঁধার

“আরেক কাপ মার্সিয়ান জুস হবে নাকি?” “না, আর নয়। বেশি খেলে ঝিমুনি মতো আসে। আর ঝিমুনি এলে বন্দিকে নির্বাসনের দায়িত্বগুলো

চুল

‘পারসেল আ গিলো বড়া বাবুর ঘরে। সেই থিকে বাবু দোর দিছেন’। অ্যাঁ? পারসেল? ঘনাদার?’ আমরা সমস্বরে আঁতকে উঠলাম। মুখ চাওয়াচাউয়ি

ডেভিড কাকার বাড়ি

উৎসর্গ: আতঙ্ক সম্রাট হাওয়ার্ড ফিলিপ লাভক্রাফট   ডেভিড কাকার বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াতেই বৃষ্টিটা জোরে নামল। আজ প্রায় তিনমাস পর

চোখ

আমার কথা “নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা মুশকিল।” এ ধরনের একটা কথা বাংলা বাক্যালাপে মাঝে মধ্যেই ব্যবহার করা হয়।

গোল মাথা ব্যারনের কাহিনি

১ কারও কারও হয়তো মনে আছে যে ১৮৭৮ সালের জুলাই মাসে জেনারেল ইগনাটিফ বাডেন শহরের বিখ্যাত বাডিশার হফ হোটেলে কয়েক

আলো পড়ে যেখানে

এবড়োখেবড়ো জমি পেরিয়ে ছুটছিল ছেলেটা। তার বুটের সঙ্গে ঠোকর খেয়ে ইতিউতি ছিটকে যাচ্ছে ছোট ছোট টুকরো পাথর। কপাল আর গলা

মোক্সনের নিয়ন্তা

‘তুমি কি রসিকতা করছ? নাকি সত্যিই বলতে চাইছ যে একটা যন্ত্রও ভাবনাচিন্তা করতে পারে?’ আমার এই প্রশ্নের জবাব দেবার বিন্দুমাত্র

“প্রথম প্রাণের স্পন্দন ও আমরা” রচনার পর্ব – ৫: কেজাহাতান দ্বীপের রহস্য

কফির কাপে চুমুক দিয়ে প্রফেসর সূর্যশেখর বললেন, ‘আপনি কি শিওর ব্যাপারটা আপনার নিজের চোখে দেখা?’ সূর্যশেখরের সামনে বসা আগন্তুককে কিছুটা

তিন ডিগ্রীর পালা

১৯১৭ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন তাঁর সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বের সমীকরণগুলির থেকে মহাবিশ্বের আকার ও গঠনের জন্য প্রথম একটি স্থির এবং স্থিতিশীল

দ্য গোলাঞ্চ বুক অফ সাউথ এশিয়ান সায়েন্স ফিকশন

গোলাঞ্চ (Gollancz)-এর আগে প্রায় একশো বছর ধরে হাজার হাজার কল্পবিজ্ঞান, রহস্য ও ফ্যান্টাসি বই পাঠককে উপহার দিয়েছে, তবে এই সংকলনটি

এ সব আগামীকাল ঘটেছিল

লেখক – অনেকে সম্পাদক – বাল ফোন্ডকে ভারতীয় কল্পবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রাদেশিক ভাষায় যে বিপুল পরিমাণ কল্পবিজ্ঞান যে শতাধিক বছর

The Sanctuary of Modhumida

The warm touch of a glow-worm bird, almost as big as a pigeon, breaks his sleep. That dream again! It

Mirjafar

“Damn! How could you let this happen?” “Sorry, sir, it was my fault, but… but, I did rectify it within

New Bengal

No, I am not going to try and build it up. You are probably reading this story while you lean

error: Content is protected !!