প্রহরী

কিছুটা সময়ের জন্য খুদে যন্ত্রটা থমকে দাঁড়াল রাস্তার মাঝখানে। দিনের পর দিন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিয়ম মেনে এতকাল সে যে রাস্তায় অন্যান্য যন্ত্রদের মতো টহলদারি করে এসেছে ঠিক সেখানে। রোগ সংক্রমণের বিভিন্ন পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ওরই মতো আরও খুদে খুদে যন্ত্র তৈরি করা হয়েছিল যাতে তারা সংক্রমণের হার নির্ণয় করতে পারে। তাদের যদিও সেই সমস্ত পরিস্থিতির [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, কার্লোস সুচলওস্কি কন, প্রমিত নন্দী, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, সৌরভ ঘোষ, স্প্যানিশ অনুবাদ
Read more

নক্ষত্রের আলো

ওদের কথাগুলো আর্থার ট্রেন্ট এক্কেবারে পরিষ্কার শুনতে পেল। উত্তেজনা ও রাগে ভরপুর কথাগুলো বুলেটের মত ছিটকে বেরিয়ে আসছিল রিসিভার থেকে। ‘‘ট্রেন্ট! তুমি পালাতে পারবে না। তোমার কক্ষপথ আমরা ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই খুঁজে পেয়ে যাব। আর তুমি যদি বাধা দিতে যাও, মহাশূন্যেই ধ্বংস করে দেব তোমায়।’’

     ট্রেন্ট হাসল। কিন্তু কিছুই বলল না। তার কাছে কোনও অস্ত্র-টস্ত্র [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, আইজ্যাক আসিমভ, প্রমিত নন্দী, বিশ্বদীপ দে, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা
Read more

পরীক্ষা

‘প্রথম টাইম মেশিন, ভদ্রমহোদয়গণ।’ গর্বের সঙ্গে তার দুই সহকর্মীকে জানালেন প্রোফেসর জনসন, ‘সত্যি বলতে কী, এটি ছোট আকারের এক পরীক্ষামূলক মডেল। তিন পাউন্ড, পাঁচ আউন্সের কম ওজনের জিনিসের ক্ষেত্রেই এটা শুধু কাজ করবে। তাও অতীত বা ভবিষ্যতে বারো মিনিটের মতো দূরত্ব পর্যন্ত। তবে এটা কাজ করবে।’

     ছোট আকারের মডেলটি দেখতে ওজন মাপার ছোট যন্ত্রের মতো। পার্থক্য [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, জটায়ু, ফ্রেডরিক ব্রাউন, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, সৌরভ রায়
Read more

আমি আজ বুকুন

“কে? বুকুন এলি?”

     ঘরের এক পাশে বিছানার সঙ্গে প্রায় মিশে থাকা মানুষটির অস্ফুট কাঁপা কাঁপা কণ্ঠস্বর ভেসে এল। ওই একটিই নাম থেকে থেকে বৃদ্ধার মনে পড়ে। তাঁর একমাত্র ছেলে।

     হ্যাঁ, আজ আমি বুকুন। আমার উচ্চতা আরও সাড়ে তিন ইঞ্চি বাড়িয়ে নিলাম। চোখের মণির রং বদলে আর-৫৩ জি-১৫ বি-৬-তে নিয়ে এলাম। ঘরের ভিতরে সাধারণত বুকুনের এটাই থাকে। গায়ের রংও তাঁর সঙ্গে [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, মার্টিন শুমেকার, ষষ্ঠ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, সুদীপ দেব
Read more

এ তুমি কেমন তুমি

জিল হেরিকের সুন্দর নীল চোখদুটো জলে ভরে উঠল। অব্যক্ত এক যন্ত্রণায় নিজের স্বামীর দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে বলে উঠল, ‘জঘন্য মানুষ তুমি একটা।’

     স্বামী লেস্টার হেরিক কিন্তু নিজের হাতের কাজ থামালো না। টেবিলের উপর কাগজের স্তূপ থেকে যতরকম নোট আর গ্রাফ ছিল সেগুলো বেছে বেছে সাজিয়ে রাখছিল।

     ‘জঘন্য কথাটা মূলত জাজমেন্টাল শব্দ একটা।’ লেস্টার ঠান্ডা গলায় বলল, [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, কল্পবিজ্ঞান, পঞ্চম বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, ফিলিপ কে. ডিক, রাকেশকুমার দাস, সৌরভ ঘোষ
Read more

নক্ষত্রমাতা

সেই রাতে তাঁর ছেলেই ছিল প্রথম নক্ষত্র।

    সেই চৈত্র রাতে তিনি একটা হাত বুকে রেখে, একা, তাঁর বাড়ির বাগানে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে দেখলেন— সামনের মাঠটা থেকে তাঁর ছেলে দক্ষিণের আকাশে উঠে গেল— উঁচু আরও উঁচুতে উঠতে উঠতে একেবারে আকাশের মাথায় পৌঁছে সে নামতে থাকল। নামতে নামতে শেষে উত্তর দিগন্তের কালো অন্ধকারে হারিয়ে গেল— তাকে আর দেখা গেল না। আচ্ছা, সে কি এখন [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, কল্পবিজ্ঞান গল্প, নিবেদিতা হালদার গাঙ্গুলি, পঞ্চম বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, রনিন, রবার্ট এফ ইয়ং
Read more

সাদা জাহাজ

মি বেসিল এলটন। আমি নর্থ পয়েন্টের বাতিঘরের বাতিওয়ালা। আমার আগে আমার বাবা, আমার ঠাকুর্দা সকলেই এইখানে বাতিওয়ালা ছিলেন। পাড় থেকে অনেকটা ভেতরে পিছল পাথরের বুকে ধূসর বাতিঘরটা একলা দাঁড়িয়ে থাকে। পাথরগুলো জোয়ার এলে জলে ডুবে যায়। ভাটার সময় নজরে পড়ে। বাতিঘরের পেছনে ছড়িয়ে থাকা সমুদ্রের বুকে সাত সাগরের তিন মাস্তুলের পালতোলা [আরো পড়ুন]

Tags: এইচ পি লাভক্র্যাফট, দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য, পঞ্চম বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, ফ্যান্টাসি গল্প, রনিন, হরর গল্প
Read more

ডলি

বিবার ডলির যখন ঘুম ভেঙেছিল, তখন ওর গায়ের রং শ্যামলা আর কোমরছাপানো ঢেউখেলানো চুল ছিল। মঙ্গলবার যখন ঘুম থেকে উঠেছিল, তখন আবার ওর গায়ের রং ফুটফুটে ফর্সা, চুল লাল। কিন্তু বৃহস্পতিবার— সেদিন ওর চোখ ছিল নীল, চুল কুচকুচে কালো, আর হাতগুলো লাল, রক্তে।

দামি জিনিসে ঠাসা বসার ঘরটার সবকিছু ধবধবে সাদা আর সোনালি রঙের, একমাত্র ব্যতিক্রম [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ, অনুবাদ গল্প, অনুষ্টুপ শেঠ, পঞ্চম বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা
Read more

কথক

তিরিক্ত অনুভূতিপ্রবণ, কিংবা অত্যধিক সংবেদনশীল হওয়ার একটা সমস্যা হল নানারকম ভিন্নধর্মী চিন্তার ভিড় প্রায়শই মনের গলা টিপে ধরে; কল্পনার সহজ, অবাধ উড়ান গতিরুদ্ধ হয়ে পড়ে। একজন কল্পনাপ্রবণ লেখক হয়ে ব্যাপারটা জোন্সের মোটেও অজানা নয়, তবে এটাকে আটকানোর বিশেষ চেষ্টাও সে করে না। কারণ আর কিছুই না; নিজের মনকে কোনও একটাই অনুভূতিতে [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, জটায়ু, দেবাঞ্জলি রায়, পঞ্চম বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা
Read more

বোক্কো-চান

 

এক সুরা-সুন্দরীর কাহিনি, যার হৃদয়টা মোটেও সোনায় মোড়া ছিল না

 

রোবটটাকে রীতিমতো একটা নিপুণ শিল্পকর্মের নিদর্শন বলা যায়। সে একটা মেয়ে রোবট, হোক-না কৃত্রিম, তাকে বানানো হয়েছিল একেবারে তিলোত্তমার মতো যত্ন করে। একটি সর্বাঙ্গসুন্দর নিখুঁত আকর্ষণীয়া রমণী হিসেবে গড়ে তুলতে যা-যা প্রয়োজন, সবকিছু মাথায় রাখা হয়েছিল তাকে বানানোর সময়ে। [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, জটায়ু, নরিওশি সাইতো, পঞ্চম বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, শিনিচি হোশি, সপ্তর্ষি চ্যাটার্জী
Read more

আশারদের বাড়ি ২

বিবর্ণ, অন্ধকারাচ্ছন্ন, চুপচাপ একটা হেমন্তদিন। গোটা দিন জুড়ে আমি ঘোড়ায় চেপে একলা চলেছিলাম। আকাশের মেঘেরা চাপ চাপ মনখারাপের মতো নেমে এসেছে নীচেটায়। একটা অসম্ভব ঊষর অজ-পাড়াগাঁ দিয়ে চলেছি। যখন শেষমেশ সন্ধের ছায়া নেমে আসছে, আমার দৃষ্টিপথে গোচর হল বিষণ্ণ ‘আশারদের বাড়ি’টা।…”

     মিস্টার স্তঁদেল উদ্ধৃতি দিতে দিতে থামলেন।

     কালচে নীচু [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, জটায়ু, পঞ্চম বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, যশোধরা রায়চৌধুরী, রে ব্র্যাডবেরি, হরর গল্প
Read more

প্রেতাবিষ্ট প্রাসাদ

রৎকালের এক শব্দহীন, আভাহীন, ছায়ামায়ার দিনে ঘোড়ায় চেপে সন্ধ্যা নাগাদ পৌঁছেছিলাম ‘আশার প্রাসাদে’। সারাদিন দেখেছি আকাশ থেকে ঝুলে পড়া রাশি রাশি কালো মেঘ। যেন বুকের ওপর চেপে বসেছিল। দেখেছি প্রান্তরের ওপর দীর্ঘ পথ— অসাধারণ নির্জন— খাঁ-খাঁ করছে দিগ্‌দিগন্ত। এত কষ্টে তেপান্তর পেরিয়ে এসে দেখলাম, ‘আশার প্রাসাদ’ও বিরস বদনে তাকিয়ে [আরো পড়ুন]

Tags: অদ্রীশ বর্ধন, অনুবাদ, অনুবাদ গল্প, জটায়ু, পঞ্চম বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা
Read more

গোরস্থান হল পৃথিবী

মৃত্যু আর কি এমন খারাপ? আসলে এর প্রচারটাই ঠিকমতো হয়নি কখনও।

     সমস্যার সূত্রপাত হিসেব রাখার নতুন যন্ত্রটা থেকেই হয়েছিল। একটা ট্রানজিসটর পুড়ে গেছিল বা ওই দাঁতওয়ালা চাকতিটা দু’ঘর পিছলে গেছিল। তাতেই ভুলটা হল, দশমিকটাও দু’ঘর পরে গিয়েই বসল। এটাই বিচিত্র যে পশ্চিমের অত বড় কফিন প্রস্তুতকারী সংস্থা হয়েও ভুলটা কিন্তু কীভাবে যেন এতগুলো মানুষের চোখ [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, পঞ্চম বর্ষ দ্বিতীয় সংখ্যা, প্রদীপ্ত সাহা, সি সি ম্যাকঅ্যাপ, সৌরভ ঘোষ
Read more

শিশুটি – সাইমন রিচ

এ তো জানাই ছিল, শিশুটি এলে বেনের অফিস খানা নার্সারি হয়ে উঠবে।

     সাধের লেখালেখির রুমটিকে মিস করবে বেন, কিন্তু সে জানে, তুলনামূলকভাবে ওটা একখানা ছোট বলিদান। ওর স্ত্রী সু গত দু’বছর ধরে পেট ফাঁপিয়ে গ্যাস হওয়া সব ভিটামিন নিচ্ছে আর যোনিতে এক বুড়ো পোলিশ স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের খোঁচাখুঁচি সহ্য করে যাচ্ছে। বেচারিকে এমনকী বেনাড্রিল আর ভোদকা মার্টিনিও [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, গল্প, পঞ্চম বর্ষ প্রথম সংখ্যা, শামীম আহমেদ, সাইমন রিচ, সুমন দাস
Read more

কাল-করোটি – ফিলিপ কে. ডিক

“কাজটা কী? সেরকম হলে ভেবে দেখতে পারি।” কনজার নড়েচড়ে বসল।

     নিস্তব্ধ ঘরে অপেক্ষমান মানুষগুলির প্রতি জোড়া চোখ এখন কয়েদীদের আধময়লা পোশাক চাপানো কনজারের ওপর নিবদ্ধ।

     বক্তা একটু ঝুঁকে বসলেন।

     “জেলে ঢোকার আগে তোমার বেআইনি কাজগুলো থেকে তো ভালোই কামাচ্ছিলে। আপাতত এখন তোমার কাছে ফুটো কড়িও নেই। তা ছাড়া, এখনও প্রায় বছর ছয়েক হাজতবাস বরাদ্দ আছে তোমার।”

[আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, কল্পবিজ্ঞান গল্প, গল্প, পঞ্চম বর্ষ প্রথম সংখ্যা, ফিলিপ কে. ডিক, সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
Read more

চোখের আলোয় – আইজাক আসিমভ

অ্যাডাম ওর বিগত ট্রিলিয়ন বছর ধরে সঞ্চিত স্মৃতিকে একটু একটু করে মনে করার চেষ্টা করছিল। কাজটা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। অসাধারণ একটা পরিকল্পনা খেলা করছে মাথায়। যদি… যদি নতুন কিছু করা যায়! একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রণহীন এক চেতনার স্রোত নিরন্তর ছড়িয়ে দিচ্ছিল মহাশূন্যের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে। আইভি এখনও সাড়া দিচ্ছে না কেন?

‘হ্যাঁ, অ্যাডাম বল। তুমি কি প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছ?’

[আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, আইজাক আসিমভ, গল্প, তৃষা আঢ‍্য, পঞ্চম বর্ষ প্রথম সংখ্যা, প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
Read more

ফস্কা গেরো – আর্থার সি. ক্লার্ক

মাননীয় সম্পাদক মহাশয়,

সম্মিলিত বৈজ্ঞানিক পর্ষদ

     আপনার পাঠানো সংবাদ থেকে জানতে পারলাম যে পৃথিবীর বাসিন্দারা পারমাণবিক শক্তি নিষ্কাশনে সমর্থ হয়েছে এবং তারা রকেট-উৎক্ষেপণ নিয়েও গবেষণা শুরু করেছে। আমার অনুরোধ এটিকে অত্যন্ত গুরুতর ঘটনা হিসেবে গণ্য করুন। অবিলম্বে এই বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠান। তবে দয়া করে বেশি বড় করবেন না ।

রাষ্ট্রপতি
কে. ক. ৪র্থ

 

 

[আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, আর্থার সি. ক্লার্ক, গল্প, পঞ্চম বর্ষ প্রথম সংখ্যা, মূল প্রচ্ছদ, রাকেশকুমার দাস
Read more

ক্যালাইডোস্কোপ – রে ব্র্যাডবেরি

যেন কোনও এক অদৃশ্য দানবের কোপ। তারই প্রথম ঝটকায় উপর থেকে ফর্দাফাঁই হয়ে গেল রকেটটা! আর ভিতরের মানুষগুলো খলবলে রঙিন মাছের ঝাঁকের মতো ছড়িয়ে পড়ল মহাকাশের শূন্যতায়। অন্ধকারের এক নিঃসীম সমুদ্রের গভীরে ছড়িয়ে যাচ্ছিল ওরা। আর ওদের মহাকাশযানের লক্ষ কোটি টুকরো ভেসে যাচ্ছিল এমনভাবে, দেখে মনে হবে নিরুদ্দেশ কোনও সূর্যের সন্ধানে চলেছে উল্কার ঝাঁক।

     ‘‘বার্কলে, বার্কলে, তুমি কোথায়?’’

[আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, পঞ্চম বর্ষ প্রথম সংখ্যা, বিশ্বদীপ দে, রে ব্র্যাডবেরি, সুপ্রিয় দাস
Read more

রাতের প্রহরী – জেমস ইঙ্গলেশ

অতি তীব্র শক্তির স্রোতে মুহূর্তে সৃষ্টি হল সত্ত্বা। জড় পদার্থ থেকে সম্পূর্ণ জেগে উঠে সে চেয়ে দেখল নিজের অন্তরের ও চারপাশের জগৎটার দিকে। কিছুক্ষণ নিজের অতল স্মৃতির গভীরে তলিয়ে গেল সে। বুঝল যে এটা তার জন্মমুহূর্ত নয়, আসলে বহু যুগ ঘুমিয়ে থাকার পর এখন তার ঘুম ভেঙেছে। তার বিশাল স্মৃতির ভাণ্ডারের অধিকাংশের মানে সে বুঝল না গোড়াতে, ক্রমশ সে বোঝবার [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, অমিতানন্দ দাশ, পঞ্চম বর্ষ প্রথম সংখ্যা, সুমন দাস
Read more

সাত স্বপ্নের রাত

এ কাহিনি আমার ছোটবেলার। সেদিন বুঝিনি স্বপ্ন সম্রাট আমাকে কী বলেছিলেন? বড় হয়ে অনুভব করেছি সে কথার মর্মার্থ। ছোটবেলায় আমি খুবই স্বপ্ন দেখতাম। সে সব স্বপ্নের সঙ্গে এতটাই একাত্ম হয়ে যেতাম যে প্রায় দিনই বিছানা থেকে পড়ে যেতাম। নানা রকম স্বপ্ন দেখতাম। তার কোনওটাই আমার মনে নেই। কিন্তু টানা সাতদিন ধরে দেখা একটা স্বপ্নের খুঁটিনাটি এখনও আমার মনে গেঁথে বসে আছে। [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, চতুর্থ বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, জর্জ আলেক এফিংগার, পূজাবার্ষিকী, প্রতিম দাস
Read more

সরণি সরেনি কেন?

সে দিন যেটা স্বপ্ন বলে ভেবেছিলাম, আসলে সেটা সত্যি সত্যিই ঘটেছিল। রাস্তা কখনও চলতে পারে ভ্রমেও ভাবিনি, সেই দেখলাম, হুবহু অজগর সাপের চলা। কড়ি বরগায় ঠোকাঠুকি করতে করতে সঙ্গে চলেছে লাইন বেঁধে বাড়িঘর। কখন আমার ঘুম ভেঙেছে ওরা বুঝতে পারেনি, খেয়াল হওয়া মাত্র যে যেখানে ছিল চুপচাপ দাঁড়িয়ে গেল। তাই হ্যারিসন রোডের বাড়িগুলো একটু হেলানো আছে লক্ষ করবেন। সবগুলো [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, এণাক্ষী চট্টোপাধ্যায়, কল্পবিজ্ঞান গল্প, চতুর্থ বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, পূজাবার্ষিকী, রবার্ট এ. হাইনলাইন
Read more

ঘুমের দেয়াল পেরিয়ে

মাঝেমাঝেই স্বপ্নেরা যে কত গভীর অর্থ বয়ে আনে সে-নিয়ে বোধ হয় বেশির ভাগ লোকই কখনও ভেবে দেখে না। কোন অজ্ঞাত দুনিয়ায় স্বপ্নের জন্ম হয় তা নিয়েও কৌতূহল খুব বেশি মানুষের হয়তো নেই। যদিও ফ্রয়েড অন্য কথা বলবেন, তবু এটা ঠিক যে জাগ্রত দুনিয়ায় আমাদের যে-সব অভিজ্ঞতা প্রতিমুহূর্তে হয়ে চলেছে, বেশির ভাগ স্বপ্নই তার একটা হালকা, কাল্পনিক রূপ।

     তবু, কিছু কিছু স্বপ্ন আসে, [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, এইচ পি লাভক্র্যাফট, চতুর্থ বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য, পূজাবার্ষিকী, সুমন দাস
Read more

ঘর

পুরানো বাড়িটার সামনে দাঁড়িয়ে নীরা উচ্ছসিত হয়ে উঠল, ‘দেখ শুভ, যেখানে আমি জন্মেছিলাম এ বাড়িটা এক্কেবারে সে রকম। সেইরকম গাড়িবারান্দা, বড় বড় জানলা, দরজা, এক্কেবারে সেই রকম।’

     নীরার স্বামী শুভ, নীরাকে সেই ছোটবেলা থেকে চেনে। সে জানে নীরাদের বাড়িটা মোটেই এমন ছিল না। কিন্তু সে প্রতিবাদ করল না। বরং বলল, ‘হ্যাঁ নীরা, বেশ মিল আছে বটে। চল ফেরা যাক।’ এরপরই কিচ্ছু [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, ইন্টারনেট, চতুর্থ বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, পূজাবার্ষিকী, সায়ক দত্ত চৌধুরী
Read more

অদ্ভুত অর্কিড

অর্কিড এমনই একটা ফুল, যা কেনার জন্যে পাগল হতে হয়, কেনার পরেও পাগল হয়ে থাকতে হয়। একটু একটু করে পাপড়ি মেলে ধরে ফুল যতই ফুটতে থাকে, রং আর শোভা ততই মনকে মাতাল করে দেয়। নব নব আবিষ্কারের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকতে হয়।

     এ নেশা পেয়ে বসেছিল ওয়েদারবার্নকেও। অর্কিড জমানোর বাতিক তাকে নিত্যনতুন উত্তেজনার খোরাক জুগিয়ে গেছে। সারাজীবনটাই তার উত্তেজনাবিহীন। [আরো পড়ুন]

Tags: অদ্রীশ বর্ধন, অনুবাদ গল্প, এইচ জি ওয়েলস, কল্পবিজ্ঞান গল্প, চতুর্থ বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, পূজাবার্ষিকী, ফ্রাঙ্ক আর. পল, বেঞ্জামিন এডুইন মিন্‌স
Read more

আলজরননের জন্যে কিছু ফুল

পোরগেস রিপুট ১

মাচ ৫, ১৯৬৫

ডাকটার শটরাউস আজ আময় বলেছে সব লিকে রাকতে। আজ তেকে জা জা হবে যা আমার মনে আসবে শব লিকে রাকতে হবে। এর তেকে নাকি ওরা বুচতে পারভে আমি অদের কাজে লাগব কিনা। ওরা আমায় নিলে আমার কুব ভাল লাগবে। কিনিয়ান দিদি বলেচে আমার বুদ্দি নাকি অনেক বেরে জাবে। আমিও চাই অনেক বুদ্দি পেতে অদের মত চালাক হতে। আমার নাম চারলি গোরদোন। আমার বয়স সাইতিশ। দুই হপতা [আরো পড়ুন]

Tags: ইন্টারনেট, কল্পবিজ্ঞান গল্প, চতুর্থ বর্ষ দ্বিতীয় সংখ্যা, ডিটেকটিভ সায়েন্স ফিকশন, ড্যানিয়েল কেয়েস, দীপ ঘোষ
Read more

ক্লাউন – আতংক

ঊনত্রিংশ শতাব্দী। ক্লাউনরাই এখন জগৎ শাসন করে। পৃথিবী বর্জন করেছে টেকনোক্রেসিকে। টেকনোক্রেসিই এই পৃথিবীতে মারাত্মক সব প্রাণঘাতী অস্ত্রের জন্ম দিয়েছে যা একসময় এই পৃথিবীকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছিল। দুনিয়া আজ তাই দুটো সমান্তরাল ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। এর একটা অংশ শাসন করে কিং ক্লাউন আর অন্যটা রেক্স করিডন। কিং ক্লাউন তাঁর প্রাণোচ্ছল স্বভাবের জন্য পরিচিত। [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, কৃষ্ণা রক্ষিত, চতুর্থ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, ফ্যান্টাসি গল্প, রোশনি রেবেকা স্যামুয়েল, সিফন বণিক
Read more

শিল্পী মাকড়সা

জোম্বি যায় না, যায় না, যদি না তুমি যেতে বলো,

জোম্বি!

জোম্বি!

জোম্বি থামে না, থামে না, যদি না তুমি থামতে বলো,

জোম্বি ঘোরে না, ঘোরে না, যদি না তুমি ঘুরতে বলো,

জোম্বি!

জোম্বি ভাবে না, নিজে ভাবে না, যদি না তুমি ভাবতে বলো

–       [‘জোম্বি’ গানের অংশবিশেষ, লেখক ফেলাকুটি, নাইজিরিয়ার মিউজিশিয়ান ও স্বঘোষিত নিপীড়িত শ্রেণির মুখপাত্র।]

আমার বর আমায় নিয়ম করে পেটাত। যেদিনের কথা, [আরো পড়ুন]

Tags: অনুষ্টুপ শেঠ, কল্পবিজ্ঞান গল্প, চতুর্থ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, নেডি ওকোরোফর
Read more

আকাশ-গঙ্গার মুলুকের তিনটি গল্প – তারার থেকে তারায় ঘুরে বেড়ানোর যুগের উপকথা

টিপি-পাখি হেঁকে উঠল, ‘শোনো!’

কুম্বজা তারামন্ডলের, জেহানা গ্রহের সারস মানুষের একটি লোককথা।

সে অনেক দিন আগের কথা। মানুষ তখন সারস সমতলের উর্বর নদী উপত্যকায় সবে বসবাস করতে শুরু করেছে। সেখানে একটি টিপি পাখি ছিল। সে সময়ে টিপি পাখিরা শুধুমাত্র আজকের মতো কৌতুহলীই ছিল না, তারা কথা বলতেও পারত। তারা মানুষের বাড়ি-ঘর-দোরের কাছাকাছি নদীর তীরে বসে বসে সারাদিন ধরে [আরো পড়ুন]

Tags: অঙ্কিতা, চতুর্থ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, বন্দনা সিংহ, স্বাতী রায়
Read more

অ-শূন্য সম্ভাবনা

সৈনিক যেমন যুদ্ধে যাওয়ার আগে প্রস্তুতি নেয়, প্রতিদিন সকালবেলা অ্যাডেল কাজে যাওয়ার জন্য ঠিক সেইভাবেই যেন তৈরি হয় । প্রথমে একটু ঠাকুর দেবতার নাম করে নেয়, তার আইরিশ পূর্বপুরুষের আরাধ্য ক্রিশ্চান ঈশ্বর ও তার আফ্রিকান পূর্বপুরুষের আরাধ্য ওরিশা – দুই পক্ষকেই মন ভরে ডাকে সে। দ্বিতীয় দলটির সঙ্গে অবশ্য তার খুব একটা পরিচিতি নেই, কিন্তু সে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

[আরো পড়ুন]

Tags: এন. কে. জেমসিন, এম. ডি. মহাশ্বেতা, চতুর্থ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, চিত্রা মিত্র
Read more

মেরিলিন

“তুমি হলে গিয়ে একখানা যন্ত্র।” রেইন অরবিসন বলল, বর্মে ঢাকা মুঠোখানা ওর সামনের ল্যাব বেঞ্চের ওপর ঘুঁষিয়ে। “কাজেই আমি যা বলব তাই তোমাকে করতে হবে।”

     ও কিন্তু তখনও নিজের মুখ ঢেকে রাখা হাতদুটি সরায়নি।

     “থামাও এসব!!!”

     “আমি দুঃখিত”, ফুঁপিয়ে উঠে বলল মেরিলিন। চুমকি শলমা দেওয়া পোশাকের নীচে তার নিখুঁত কাঁধদুটি কেঁপে কেঁপে উঠল। “মিস্টার অর্বিসন, আমি সত্যি [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, চতুর্থ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, চিত্রা মিত্র, যশোধরা রায়চৌধুরী, রিমি বি চ্যাটার্জি
Read more

মাংসজীব

     –ওরা মাংসের তৈরী।

     –মাংস? বলো কী?

     –হ্যাঁ মাংস। মাংস দিয়ে তৈরী করা হয়েছে ওদের।

     –আজব কাণ্ড! মাংস দিয়ে তৈরী হতে পারে এমন জিনিস?

     –তা আর বলছি কী! আমরা ওদের বেশ কয়েকটিকে ধরে নিয়ে এসেছি গ্রহের বিভিন্ন জায়গা থেকে। ল্যাবে নিয়ে তাদের আগাপাশতলা বিস্তর পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখলাম তাদের সমস্তটাই মাংসের তৈরী।

     –অসম্ভব কথা। মাংস থেকে রেডিয়ো সিগন্যাল [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, কল্পবিজ্ঞান গল্প, চতুর্থ বর্ষ প্রথম সংখ্যা, চিত্রা মিত্র, নাহার তৃণা
Read more

উৎসব

উৎসব

মূল কাহিনি – দ্য ফেস্টিভ্যাল

লেখক – এইচ পি লাভক্র্যাফট

বাংলা অনুবাদ – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

অলংকরণ – সুপ্রিয় দাস

 

শয়তানের কৌশলে, মানুষ অবাস্তবকেও বাস্তব বলে ভুল করে

লাকট্যানশিয়াস

মি তখন বাড়ি থেকে অনেক দূরে। পুবের সমুদ্রের জাদু তখন আমাকে ছেয়ে ছিল। সন্ধ্যার আলো-আঁধারিতে আমি পাথরের গায়ে তার ঢেউ ভাঙবার শব্দ পাচ্ছিলাম। টের পাচ্ছিলাম,টিলাটার [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, উৎসব, এইচ পি লাভক্র্যাফট, তৃতীয় বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য, দ্য ফেস্টিভ্যাল, পূজাবার্ষিকী, সুপ্রিয় দাস
Read more

দ্য গান

দ্য গান

ফিলিপ কে. ডিক

রূপান্তর : মারুফ হোসেন

অলংকরণ – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য

 

ফোকাস ঠিক করে নিয়ে টেলিস্কোপের আইপিসে চোখ রাখলেন ক্যাপ্টেন।

     ‘পারমাণবিক ফিশনই (বিভাজন) দেখেছিলাম আমরা,’ টেলিস্কোপে চোখ রেখে বললেন তিনি। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আইপিসটা সরিয়ে দিলেন চোখের সামনে থেকে। ‘কেউ চাইলে নিজের চোখে দেখে নিতে পার। কিন্তু দৃশ্যটা খুব একটা সুখকর নয়।’

  [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, তৃতীয় বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য, দ্য গান, পূজাবার্ষিকী, ফিলিপ কে. ডিক, মারুফ হোসেন
Read more

বুদ্ধির্যস্য

বুদ্ধির্যস্য

লেখক – ঋজু গাঙ্গুলী

অলংকরণ – সৌরভ দে 

“দেড় হাজার বছর!” আপ্রাণ চেষ্টা করেও নিজের গলা থেকে রাগ আর হতাশা সরিয়ে রাখতে পারছিলেন না হেম। “দেড় হাজার বছর ধরে চলছে পরীক্ষাটা। সবেমাত্র সেটা কিছু সত্যিকারের ফলাফল দিতে শুরু করেছে। তখনই সেটা এভাবে থামিয়ে দেওয়া যায় না। আপনি এরকম কিছু করতে পারেন না কম্যান্ডার!”

     “যায়।” শক্ত গলায় বলেন গোরাম। “এবং আমি পারি।”

[আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, ঋজু গাঙ্গুলী, কল্পবিজ্ঞান গল্প, তৃতীয় বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, পূজাবার্ষিকী, বুদ্ধির্যস্য, সৌরভ দে
Read more

আতঙ্ক সেই সংকেত

আতঙ্ক সেই সংকেত

মূল রচনা – গেলর্ড সাবাটিনি

বাংলা অনুবাদ – সৌমেন চ্যাটার্জি

অলংকরণ – সৌমেন চ্যাটার্জি

 

মার নাম জেমস কার্টিস। পেশায় আমি একজন সাংবাদিক। দাঁড়ান… দাঁড়ান, এখুনি উইকিপিডিয়া খোলার দরকার নেই। কারণ আমি যে পত্রিকার সাংবাদিক, হাতে গোনা কিছু মানুষ সেই কাগজ পড়েন। তবে হ্যাঁ, যারা এই কাগজের পাঠক তাদের কাছে এর কদর বেশ ভালোই। কাগজটার [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, গেলর্ড সাবাটিনি, তৃতীয় বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, পূজাবার্ষিকী, সৌমেন চ্যাটার্জি
Read more

ওটা ভালোদের জায়গা নয়

ওটা ভালোদের জায়গা নয়

লেখক – প্রতিম দাস

অলংকরণ – প্রতিম দাস

 

ন্ধকার ঘরে একটা মোমবাতি জ্বেলে উইজা বোর্ডের সামনে একা বসেছিল অজয়। ‘হে আত্মাগণ কেউ কি আমার কথা শুনতে পাচ্ছো? কিছু একটা সংকেত দেখাও যাতে আমি কাজলের সঙ্গে কথা বলতে পারি। একটা কিছু চিহ্ন দাও। প্লিজ! প্লিজ!!’

     গোটা তিনেক সজোরে ধাক্কা মারার শব্দ শোনা গেল কোথাও।

     টানটান হয়ে বসলো অজয়। ‘তুমি [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, ওটা ভালোদের জায়গা নয়, তৃতীয় বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, পূজাবার্ষিকী, প্রতিম দাস
Read more

নক্ষত্রের আলো – আইজাক আসিমভ

নক্ষত্রের আলো

মূল লেখক – আইজাক আসিমভ

বাংলা অনুবাদ -‌ সুদীপ্ত চক্রবর্তী

অলংকরণ – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য 

থাগুলো একেবারে পরিষ্কার ও সুস্পষ্ট ভাবেই আর্থার ট্রেন্টের কানে প্রবেশ করল। শব্দগ্রাহক যন্ত্রটির ভেতর থেকে ভারী ও রাগত গলার স্বরটা যেন বুলেটের মতো ছিটকে বেরিয়ে এসে তাকে বিদ্ধ করছিল।

     ‘‌ট্রেন্ট, তোমার পালাবার কোনও পথ নেই। আর ঘণ্টা দুয়েকের [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, আইজাক আসিমভ, তৃতীয় বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য, নক্ষত্রের আলো, পূজাবার্ষিকী, সুদীপ্ত চক্রবর্তী
Read more

ইনটু দ্য স্টর্ম

র্মির পায়ের শব্দ পেয়েই আনোয়ার সচকিত হয়ে উঠলেন। অবশ্য সেটাই স্বাভাবিক। কারণ এই সময়ে হয় তারা আনোয়ারকে গ্রেপ্তার করতেই আসছে, নয়তো তার সঙ্গে যোগ দিতে!

     মস্ত জানলার ওপরে তুষারঝড় আর বৃষ্টিপাতের অবিশ্রান্ত শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। কাচের শার্সির বাইরে তাকালেই চোখে পড়ে আকাশ ফালাফালা করে দেওয়া বজ্রপাত। দূরের পাহাড়ের ওপরে কুণ্ডলী পাকানো মেঘ, বিদ্যুতের আলোয় তার [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, ইনটু দ্য স্ট্রম, ইয়াকস স্পিলিওটোপোলাস, ক্লাই-ফাই, তৃতীয় বর্ষ দ্বিতীয় সংখ্যা, তৃষা আঢ‍্য, প্রসেনজিত দাশগুপ্ত
Read more

পেন্ডুলাম

সে ছিল কালের কয়েদি। জীবন ও মৃত্যু থেকে বহিষ্কৃত, এক আশ্চর্য বিষণ্ন জীব। সে তার সামনে দেখেছে সময়ের অনবরত আসা যাওয়া, আর ভীত ভাবে অপেক্ষা করেছে শুধু…অনন্তের?

     “আমার মনে হয়”, এরহাস তীক্ষ্ণ স্বরে বলে “আমরা যতগুলো গ্রহে গিয়েছি তার মধ্যে এই আবিষ্কারটি সব থেকে কৌতূহলজনক।” তার চওড়া সবুজ চকচকে ডানা কাঁপে, পুঁতির মতো চোখে বিদ্যুতের ঝলকানি। তার অনেক সাথীই তাদের [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, কল্পবিজ্ঞান গল্প, তৃতীয় বর্ষ দ্বিতীয় সংখ্যা, পুষ্পল সরকার, পেন্ডুলাম, রে ব্র্যাডবেরি, হেনরি হাসে
Read more

আঁধারের নিঃশ্বাস

“আগের জীবনটা আমার কাছে এখন ছায়া ছায়া একটা স্বপ্নের মতো। কাউকে বোঝানোর কোন দায় নেই আমার। শুধু এই অসীম নক্ষত্র পথের বিস্তৃতির মাঝখানে দাঁড়িয়ে নিজের খেয়ালেই বলে যাচ্ছি এই কথাগুলো। আজ মনে হয় এ যেন বিগত জীবনের ঘটনা।”

     “আমার বিশ্ববরেণ্য শিক্ষক সুনীতিবাবুর নির্দেশে গ্রামগঞ্জের নানা প্রবাদ প্রবচন বিশেষ করে যার মধ্যে ভয় বা আশঙ্কার বীজ লুকিয়ে আছে সেসব নিয়ে [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য (চিত্রচোর), প্রথম বর্ষ চতুর্থ সংখ্যা, লাভক্র্যাফট অনুসারী গল্প, সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায়
Read more

টাইম লকার

প্রফেসর পুরকায়স্থ গান শুনতে ভীষণই ভালবাসেন। একজন বৈজ্ঞানিক হলেও গানবাজনার দিকে তাঁর বরাবরই ঝোঁক ছিল। যদিও ইদানীং তিনি বেশির ভাগ সময়টাই আকণ্ঠ খেয়ে থাকেন, তবুও বৈজ্ঞানিক হিসেবে তাঁর কর্মদক্ষতা নেহাত অস্বীকারও করা যায় না। আসলে প্রথাগত পড়াশোনায় তাঁর খুব একটা আগ্রহ ছিল না, তাই ওঁর যুগান্তকারী গবেষণামূলক থিয়োরিগুলোর জন্য বিশেষ কোন সরকারী আর্থিক সাহায্যর [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, টাইম লকার, দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য (চিত্রচোর), প্রথম বর্ষ তৃতীয় সংখ্যা, প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
Read more

পুনর্জন্ম – র‍্যামসে ক্যাম্পবেল

ন্ধকার! উঃ! আবার সেই শ্বাসরোধী অন্ধকার আমায় ঘিরে ধরছে! তবুও আমি নিশ্চিত কেউ আমার দিকে নজর রাখছিল! আচ্ছা, আমি কি অন্ধ হয়ে গেছি? তবে যে মনে হচ্ছিল কেউ আমার উপর ঝুঁকে পড়ে দেখছে? তা কি তবে স্বপ্ন? যেন অনেকগুলো স্বচ্ছ পর্দার ওপারে দাঁড়িয়ে থাকা এক মানবমূর্তি, যার মুখটা তৈরি শুধু জমাট অন্ধকার দিয়ে।

     ঘন পলির মত অন্ধকার আমার চোখের উপরে জমে আছে, যেন কত জন্মের ঘুম [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, তৃতীয় বর্ষ প্রথম সংখ্যা, দীপ ঘোষ, পুনর্জন্ম, র‍্যামসে ক্যাম্পবেল, সুপ্রিয় দাস
Read more

অন্ধকারের অবয়ব – রাসকিন বন্ড

পেশায় স্কুল মাস্টার অলিভারবাবু একজন অ্যাংলো ইন্ডিয়ান। এক সন্ধ্যায় তিনি সিমলা স্টেশনের গা ঘেঁষা পথ দিয়ে স্কুলের দিকে ফিরছিলেন। সাধারণত রোজ বিকেলে তিনি বেড়াতে বের হন। ভদ্রলোকের নিজের বলতে তেমন কেউ নেই, বিয়েও করেননি। কাজেই কোনও ঝুট ঝামেলার মধ্যে উনি থাকেন না।

     তিনি যে স্কুলটিতে পড়ান, বলা যায় সেটি অভিজাত সম্প্রদায়েরই স্কুল। এখানে ছেলেরা [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, অভ্র চক্রবর্তী, তৃতীয় বর্ষ প্রথম সংখ্যা, দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য, রাসকিন বন্ড
Read more

অনন্তের খিলান

প্রথম অধ্যায়

দুয়ারের ভ্রাতৃসঙ্ঘ

“ওই দুয়ার কোথায় পথ দেখায়?”

“চেনাশোনা এই দুনিয়ার কিনারায়”।

“কাহারা শেখান পূর্বজদের দুয়ার খোলার কল?”

“খিলান ওপারে বসত তাদের, কোর নাকো কোলাহল”।

“দান করি মোরা অর্ঘ্য কাদের, বড় ভয় ভীত মনে?”

“ওঁদের, যারা ওধারে থাকেন, তাঁদেরই সম্মানে”।

“খিলানের দ্বার খুলে রাখিবার আছে কি গো প্রয়োজন?”

“থাকিতে দাও অবারিত এ দুয়ার, কেন বৃথা বন্ধন”।

[আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, প্রথম বর্ষ দ্বিতীয় সংখ্যা, বড় গল্প, সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
Read more

যখন নামবে আঁধার

প্রচন্ড রেগে গিয়েছিলেন অতীশ ৭৭, শরণ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান জ্যোতির্বিজ্ঞানী। আগুনচোখে চেয়ে রইলেন সামনের সাংবাদিক যুবকের দিকে। এত রেগে গিয়েছিলেন যে কথা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল তাঁর, মনে হচ্ছিল এই বুঝি তিনি তেড়ে গিয়ে সাংবাদিককে দু’ঘা লাগিয়ে দেন। ভুবন ৭৬২, সাংবাদিক, তেমন বিচলিত হয় নি। তার চাকরিটাই এমন। এইসব রাগারাগির মধ্যে পড়তে হয় প্রায়ই। [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য, প্রথম বর্ষ দ্বিতীয় সংখ্যা, মল্লিকা ধর, যখন নামবে আঁধার
Read more

ঝুলন্ত সেই লোকটা

ঘুমচোখে সোমনাথ হাতঘড়িটার দিকে তাকিয়ে চমকে উঠল, প্রায় বিকেল সোয়া চারটে বাজে; বড্ড বাড়াবাড়ি হয়ে গেছে কাল রাতে। সাহেবগঞ্জ হাইস্কুলের পদার্থবিদ্যার মাস্টার সোমনাথের সখ হল রাত জেগে জ্যোতির্বিজ্ঞানের বই পড়া। এর জন্যে কত বকুনিই না খেয়েছে বউ স্বপ্নার কাছে, এই চল্লিশ বছর বয়সেও আজও শুনতে হবে মনে হচ্ছে। আসলে কলেজে পড়ার সময় সখ ছিল জ্যোতির্বিজ্ঞান [আরো পড়ুন]

Tags: অনুবাদ গল্প, ঝুলন্ত সেই লোকটা, দীপ ঘোষ, প্রথম বর্ষ দ্বিতীয় সংখ্যা
Read more

অভিবাদন-আলেকজান্দ্র কুপ্রিন

তুন কল্পান্তের দ্বিতীয় শতক শেষ হবে আর খানিক বাদেই, মাত্র পনেরো মিনিট বাকি। পনেরো মিনিট পরেই, মাস দিন ঘন্টা মিলিয়ে পৃথিবীতে উদযাপিত হতে চলেছে জার্মানির আত্মসমর্পণের সেই বিশেষ দিনটি। এই দিনেই জাতীয়তাবাদ আঁকড়ে থাকা শেষ রক্ষণশীল দেশটি, তার উগ্র দেশীয় সত্তা বিসর্জন দিয়ে যোগ দিয়েছিল স্বাধীন নৈরাজ্যবাদী সমিতিতে। খ্রীষ্টীয় ক্যালেন্ডারের হিসেবে সময়্টা ২৯০৬ সালের শেষের দিক।

[আরো পড়ুন]

Tags: আলেকজান্দ্র কুপ্রিন, দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য, দ্বিতীয় বর্ষ চতুর্থ সংখ্যা, রাশিয়ান অনুবাদ গল্প, সোনালী সেনগুপ্ত
Read more

একটি অ-সাধারণ ঘটনা – গেন্নাদি গোর

‘তুমি কে?’ জিজ্ঞেস করলাম।  

     বিষাদলাগা কন্ঠে ধীরে ধীরে জবাবটা এলো। ‘আসলেই কি জানি আমি কে? এটুকু বলতে পারছি যে আমি তোমারই মতো স্বাধীন ব্যক্তিত্বের অধিকারী একজন। কিন্তু এখনো নিশ্চিত জানি না আমি কে। হয়ত খুব তাড়াতাড়ি জানতে পারব। তুমি কে?’

     ‘আমি জ্যাক পিটারস। তোমার স্রষ্টা।’

     ‘কে? ঈশ্বর?’

     ‘তুমি ঈশ্বরের নাম জানলে কোত্থেকে? ঈশ্বর বলে কিছু নেই। তাছাড়া, আমি [আরো পড়ুন]

Tags: একটি অ-সাধারণ ঘটনা, গেন্নাদি গোর, চৈতী রহমান, দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য, দ্বিতীয় বর্ষ চতুর্থ সংখ্যা, রাশিয়ান অনুবাদ গল্প
Read more

অদৃশ্য আলো – আলেক্সান্দর বেলিয়ায়েভ

“দেখুন, স্পষ্টই দেখা যাচ্ছে যে ভিরোভাল কত বড় চিকিৎসক।”

     “অবশ্যই, একজন সম্পূর্ন অন্ধ মানুষও যখন তা দেখতে পান, তখন তিনি বড় চিকিৎসক তো বটেই।”

     “আপনি কীভাবে জানলেন যে আমি একেবারে অন্ধ?” পাশে বসা অপরিচিতর দিকে ফেরেন রোগীটি।

     “আরে, আপনার পরিষ্কার নীল চোখ দু’টো আমায় বোকা বানাতে পারবে না। একটা পুতুলের মতই আপনারগুলোও নিষ্প্রাণ।” অপরিচিত হেসে সেই সাথে আরও বলেন [আরো পড়ুন]

Tags: অদিতি কবির, আলেক্সান্দর বেলিয়ায়েভ, দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য, দ্বিতীয় বর্ষ চতুর্থ সংখ্যা, রাশিয়ান অনুবাদ গল্প, সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
Read more

একটি উপন্যাসের প্লট – ইলিয়া ভারশাভস্কি

মি খুব খুশি ছিলাম সেদিন। আমার মত এক লম্বা অসুস্থতা যে কাটিয়ে উঠবে সে আমার মানসিক অবস্থা পুরোপুরি বুঝতে পারবে। আমাকে যে আর প্রতিবন্ধী ভাতায় থাকতে হচ্ছে না, আমার অসুস্থতাজনিত ছুটি আরো লম্বা করা হয়েছে, তাতে আমি আমার অসুস্থতার আগে শুরু করা গবেষণাপত্র শেষ করার জন্য অঢেল সময় পাবো। ফলে আমি আমার স্যানেটেরিয়ামে থাকার সময়টা পুরোটাই আরাম করতে পারব, আমায় [আরো পড়ুন]

Tags: ইলিয়া ভারশাভস্কি, ঋতুপর্ণা চক্রবর্তী, একটি উপন্যাসের প্লট, দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য, দ্বিতীয় বর্ষ চতুর্থ সংখ্যা, রাশিয়ান অনুবাদ গল্প
Read more
error: Content is protected !!