ভৌতিক প্রাসাদ














01
02
03
04
05
06
07
08
09
100
110
120
130
140














Read More
First Bengali Science Fiction & Fantasy Webmag
কল্পবিশ্বের তৃতীয় সংখ্যার কুইজের উত্তর কেউ সম্পূর্ণ ঠিক দিতে পারেননি।
১)বিখ্যাত জাপানি কাইজু দানব গড্জিলার স্রষ্টা কে?
২)ইউ-৭ ও ইউ-৯ একটি বিখ্যাত টেলিভিশন সিরিজের দুটি মুখ্য চরিত্রের কোড নম্বর। কোন সিরিজ ও কোন চরিত্র?
৩) নিচের ছবিটি কিসের ছবি?
৪) ইওনাগুনি মনুমেন্ট কি ও কোথায় অবস্থিত?
৫) এস এন ১৮৫, এস এন ১০০৬, এস এন ১০৫৪ – এই সংকেত গুলো কিসের সংকেত?
৬) কল্পবিজ্ঞান সাহিত্য [আরো পড়ুন]
“সাইবারপাঙ্ক ধারা উত্তর-আধুনিক কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের একটি ধারা।‘উন্নততর প্রযুক্তি ও তার প্রভাবে জীবনের অবমূল্যায়ন’ এই ধারার প্রধান চরিত্রগত বৈশিষ্ট্য। ”
-উইকিপিডিয়া
‘সাইবারপাঙ্ক’ বা ‘অপযান্ত্রিক’ ধারা প্রথম সাহিত্যে উঠে আসে 1983 সালে; আমেরিকান লেখক ব্রুস বেথকে নিজের একটি গল্পের নাম দেন ‘সাইবারপাঙ্ক’। সেটা থেকে এই ধারাটি নিজের নাম পায়। ধারাটিকে [আরো পড়ুন]
“প্রকৃতি আমাদের সিংহের লেজের ডগাটা শুধু দেখতে দেন। গোটা সিংহটা আসলে এত বড় যে সেটা একবারে দেখা সম্ভব নয়।”
ইউনিফায়েড ফিল্ড থিওরির অনুসন্ধানে ত্রিশটি ব্যর্থ বছর কাটাবার উপলব্ধির সারসংক্ষেপ বলা যায় এই বহু-চর্চিত উক্তিটাকে। ব্যর্থ বিজ্ঞানীটির নাম আইনস্টাইন। ব্যাপারটা একটু ভেঙে বলা যাক।
একেশ্বরবাদের তত্ত্ব ও বিশ্বাস মানুষের সভ্যতায় পুরোনো দিন [আরো পড়ুন]
স্থানঃ হালিশহর
কালঃ ২০১৭
পাত্রঃ ছাত্রী ও শিক্ষিকা
|| ৩ক ||
– আজ কীসের গল্প বলবে?
– আজ কোন গল্প নেই।
– মুসা বা নিমোর মতন কেউ নেই? (অগ্নিপথ ও অগ্নিপথ ২ প্রবন্ধে দ্রষ্টব্য)
– না।
– তুমি ভুলে গেছ?
– কী ভুলব?
– কীসের গল্প আজ শোনাবে সেটা?
– আরে আজ কোন গল্পই বলব না। তোমার কাকা আজ তোমায় নিতে আসবে বলছিলে না?
– হ্যাঁ, সে তো দেরী আছে।
– বেশি দেরী নেই।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষদিকে ১৯৪৫ সালে হারিয়ে যাওয়া ফ্লাইট ১৯ এর এক ঝাঁক প্লেন খুঁজে পাওয়া গেল প্রায় তিরিশ বছর বাদে মেক্সিকোর কাছাকাছি সোনোরান মরুভূমিতে। ইঞ্জিন সম্পূর্ণ অক্ষত। এমনকি ম্যাপ আর চার্টগুলোও একদম ঠিকঠাক রাখা আছে। যে বৃদ্ধ মেক্সিকান ভদ্রলোক এই প্লেনগুলো রাতের অন্ধকারে নেমে আসতে দেখেছিলেন তার কথায়, ‘আলো জ্বলে উঠল মধ্যরাত্রিতে, [আরো পড়ুন]
(洪水Kouzui)
অনেকদিন আগের বা সুদূর ভবিষ্যতের কথা (পাঠকের যা মর্জি ভেবে নিন), এক সৎ, কপর্দকহীন কিন্তু জ্ঞানী ভবঘুরে মহাবিশ্বের রহস্য উদ্ঘাটনের উচ্চাশায় একটা নদীর ধারে নতুন গড়ে ওঠা নীলচে রঙের লঙ্গরখানার ছাদে টেলিস্কোপ বাগিয়ে বসল। স্বাভাবিক ভাবেই টেলিস্কোপে চোখ লাগিয়ে কিছু গোদা গোদা নুড়ি পাথরের অর্থহীন ছোটাছুটি আর হরতাল বা অবরোধে আটকানো ট্রেনের [আরো পড়ুন]
[প্রথম পর্ব পড়বার জন্য এখানে ক্লিক করুন]
[দ্বিতীয় পর্ব পড়বার জন্যে এখানে ক্লিক করুন]
পর্ব-৩
মানবসভ্যতার ইতিহাস সম্পর্কে আমি যা যা পড়লাম এখনকার যেকোনো তথাকথিত পণ্ডিতের মাথা ঘুরিয়ে দেবার পক্ষে যথেষ্ট। বেশিরভাগই হায়ারোগ্লিফিকে লেখা থাকলেও আমি সেগুলো বুঝতে পেরেছিলাম ড্রোনিং মেশিনের সাহায্যে। তবে অন্যান্য বেশ কিছু খণ্ড এমন বিটকেল ভাষায় [আরো পড়ুন]
১৪ই এপ্রিল, ৩০১৬:
আজ অনেকদিন পর আমার মায়ের সঙ্গে খেলতে এলাম পার্কে। তোমরা জিজ্ঞেস করতেই পারো, অনেকদিন পরে কেন? আমার মতন দশ বছরের বাচ্চার তো রোজই পার্কে আসা উচিৎ, তাই না? আসলে মা আমাকে নিয়ে আসতে লজ্জা পায়, তাই আর রোজ আসা হয় না। মা অবশ্য মুখে কিছু বলে না, বলতে পারার কথাও নয়। কিন্তু আমি সব বুঝতে পারি, তাই তো মা বলে আমার হেবি ব্রেইন, কোনও ইনডিউসড ইন্টেলিজেন্স [আরো পড়ুন]
যেহেতু পায়ের নিচে মেঝেটা সরু একফালি সাদা লিনোলিয়ামের স্ট্রিপ মাত্র, আর ধবধবে সাদা দেওয়ালটাই অর্ধবৃত্তাকারে বাঁক নিয়ে মাথার ওপরে ছাদ হয়ে গেছে, তাই রয়ের মনে হচ্ছিল, ও যেন একটা টানেলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
সামনে পড়ে ছিল নিরাপত্তা রক্ষীটির শরীর। হাতে ব্লাস্টার থাকলেও মৃত্যুকে সে ঠেকাতে পারেনি। শুধু তাই নয়, তার যন্ত্রণায় বিকৃত হয়ে যাওয়া মুখটা দেখে, ক’বছরের [আরো পড়ুন]
“চুলে কি রঙ করেছ?”
সাতসকালে গিন্নির প্রশ্নটা শুনে শ্যামলবাবুর মেজাজ গেল সপ্তমে চড়ে। শ্যামলবাবুরা বংশানুক্রমে টাকের ধারক ও বাহক। মাত্র বত্রিশ বছর বয়সেই চকচক করছে জটায়ুর মতো মাথাজোড়া টাক। ঘাড় ও কানের ওপর যে ক’গাছা চুল বিশ্বাসঘাতকের মতো টিমটিম করছে সেগুলি নিয়েই সকাল সন্ধ্যে ঝাড়া কুড়ি মিনিট সময় অতিবাহিত করেন। কানের ওপরের চুল দৈর্ঘ্যে ফুটখানেকের [আরো পড়ুন]
গতকাল জিনিসটা মোটা টাকার বিনিময়ে তুলে দিয়েছি মিঃ রঘুনাথান-এর হাতে। সেটি কি জিনিস তা সমঝদার কেউ শুনলে হয় আমাকে পাগল ভাববে নতুবা শুধুই এক শখের কালেক্টর ভেবে নেবে যে কিনা এরকম একটি দুষ্প্রাপ্য, দুর্মূল্য জিনিসের কদর করতে শেখেনি। ভালো দাম পেয়েছি কি বেচে দিয়েছি! আসলে এরকম একটি ‘অ্যান্টিক আইটেম’ নিজের সংগ্রহে রাখার আগে সে সম্বন্ধে যে বেশ খানিকটা [আরো পড়ুন]
তার মনে হলো সে হয়ত পথ হারিয়েছে। এতক্ষন ধরে সে নির্দেশিত পথেই চলছিল, কিন্তু এখন মনে হচ্ছে যে ল্যান্ডমার্কটার কথা তাকে বলা হয়েছিল, সেটা পেরিয়ে এসেছে ভুলে। এই ঘিঞ্জি জায়গায় বেশ কিছুক্ষন এদিক ওদিক করার পর, সে বিরক্ত হয়ে হাল ছেড়ে দিল।
আচ্ছা – এই নোংরা প্যাঁচালো গলিঘুঁজি ছেড়ে বড় রাস্তায় উঠে আবার সেখান থেকে খোঁজ শুরু করলে কেমন হয়? ব্যাপারটা কেঁচে গণ্ডুষ হয়ে [আরো পড়ুন]
দীর্ঘ দুমাস নিস্তরঙ্গ ভাবে ভেসে আসা বিষ্ণুবাহন-৫ মহাকাশযানটা অবশেষে একটা মৃদুস্পন্দন তুলে হঠাৎ যেন জেগে উঠল। যানের যাত্রী পাঁচজন কিন্তু ইতিমধ্যেই উত্তেজনায় সজাগ। ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক অভিযানের শরিক এই পাঁচজন। ক্রমশ মহাকাশযানের গতিবেগ কমে এল আর মহাকাশযানের স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তার গতিপথ সংশোধন করে তাদের গন্তব্যের [আরো পড়ুন]
কোন কারণ নেই।
কেন সবসময় কারণ থাকতেই হবে? মানুষ শুধু কারণ খোঁজে, কিন্তু আসল কারণ গুলোর পেছনের যুক্তিকে কখনোই ব্যাখ্যা করা যায় না। এই যে মানুষের সমস্ত জীবন কেন এরকম? কেন শুধু এইভাবেই চলে, অন্য কোনভাবে কেন নয়?
এই ধরনের প্রশ্নকে কি কেউ কোনদিন ব্যাখ্যা করতে পেরেছে?
****
প্রচন্ড আক্রোশে দাঁতে দাঁত চেপে জানলার বাইরে তাকিয়ে মানুষটা ঠায় দাঁড়িয়ে রইল। কখনো [আরো পড়ুন]
জাপানের এই উপকথাটা খুব আশ্চর্যরকমের সুন্দর। অনেকে বলে থাকেন আধুনিক কল্পবিজ্ঞানের গল্পের আদিরূপ এই উপকথাতেই প্রথম পাওয়া যায়। অনেকে আরো বলেন, উপন্যাস ইত্যাদির বীজও লুকোনো ছিল এই উপকথায়।
এক দেশে এক গরীব কাঠুরিয়া থাকতো। গ্রামপ্রান্তের ছোটো এক কুটিরে কাঠুরিয়া আর তার স্ত্রী বাস করতো। সকালবেলা দু’টি খেয়ে নিয়ে কাঠুরিয়া নিজের কুড়ুলটি আর ঝোলাটি নিয়ে [আরো পড়ুন]
প্রিয় পাঠক,
আপনাদের প্রিয় পত্রিকা ‘কল্পবিশ্ব’২০১৬-এর জানুয়ারি মাসে পথচলা শুরু করে আজ অনেকটা পথ অতিক্রম করে এসেছে। আমাদের এই চলার পথে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ও আনন্দের পর্যায় আমরা পার করে এসেছি কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০১৭-এ। এই বইমেলায় আমরা প্রথম আত্মপ্রকাশ করেছি বৈদ্যুতিন আকার-এর পাশাপাশি ছাপার হরফেও। প্রকাশিত হয়েছে কল্পবিশ্ব ওয়েব-ম্যাগাজিনের [আরো পড়ুন]
খবরটা দিয়েছিলেন শ্রদ্ধেয় শ্রী রণেন ঘোষ। গত ২রা জানুয়ারি, ২০১৭ তারিখ নাগাদ টাইমস্ অফ ইন্ডিয়ার ওই ছোট্ট খবরে উল্লেখ ছিল যে স্পেনীয় কল্পবিজ্ঞান লেখক কার্লোস সুচলওস্কি কন কলকাতায় বেড়াতে এসে ট্যাক্সিতে ফেলে আসা কিছু মালপত্র আবার ফিরে পেয়েছেন। রণেনবাবুর একান্ত ইচ্ছে ছিল যে আমরা কল্পবিশ্বের পক্ষ থেকে যেন ওঁর একটা সাক্ষাৎকার নিই। কিন্তু [আরো পড়ুন]
‘সেই বিষাক্ত জঙ্গলে তখন নতুন একটা নির্বিষ অঙ্কুর জেগে উঠছে ঠিক নউসকা’র হারানো গগলসের পাশে। ভয়ংকর ওহমেরাও জেনে গেছে যে তাদের এক নতুন বন্ধু হয়েছে যে তাদের এই অভিশাপ থেকে মুক্তি দেবে’। এভাবেই শেষ হয় অ্যানিমে (জাপানী ভাষায় অ্যানিমেশন) ছায়াছবি ‘নউসকা অফ্ দ্য ভ্যালি অফ্ দ্য উইন্ড’। এই শেষ কিন্তু আসলে একটা স্বপ্ন গড়ার কারখানার সূত্রপাত। [আরো পড়ুন]
নদীর যেমন শাখা প্রশাখার মতই সাহিত্যেরও অনেক শাখা প্রশাখা থাকে। তার অনেকগুলিকেই আমরা বাংলা সাহিত্যে খুঁজে পাই, তারপরেও কয়েকটা শাখা আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়। তেমনি একটা শাখার নাম হচ্ছে ‘লাইট নভেল’।
‘লাইট নভেল’-কে মূলত ইয়াং অ্যাল্ডাট ফিকশন বলা যায়। সাহিত্যের এই শাখার মূল উদ্ভাবক হচ্ছেন জাপানিরা। তারা ইয়াং অ্যাডাল্ট ফিকশনকে নিজেদের ভাষায় ভেঙে লাইট নভেল [আরো পড়ুন]
অন্যান্য সমস্ত দেশের থেকে, জাপানের সহজাত ভাবে চির-অগ্রসর ও আধুনিক হওয়ার কারণ কি? আমি যখন ছোট ছিলাম, আমেরিকাই তখন ছিল ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক। আর জাপানের নাম শোনা যেত পুরনো টিনের রোবট আর নরম প্লাস্টিকের খেলনা মহাকাশচারী পুতুল বানানোর জন্যে। কিন্তু গত চার দশক ধরে, ভবিষ্যতের পৃথিবীর সাথে আমেরিকার বিশেষ সম্পর্কটি বিনষ্ট হয়েছে।
আশির দশকে, আমি এক বিশেষ [আরো পড়ুন]
ঘুমটা আচমকাই ভেঙে গেল। দেখলাম সামনে রাখা জলের গ্লাসটা কাঁপছে। কাচের ভিতরে এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে জলের শরীর। ক্রমশ বাড়ছে কম্পনটা।
ধড়মড় করে উঠে বসলাম বিছানায়। একটা কম্পন ছড়িয়ে যাচ্ছে বাড়িময়। কেমন যেন আশঙ্কায় সারা শরীরে শিহরণ খেলে গেল। ঘর থেকে বেরিয়ে বারান্দায় গেলাম। আর মুহূর্তের জন্য যেন আমার হৃৎস্পন্দন থমকে দাঁড়াল। একটা অতিকায় অমানুষিক পায়ের থাবা [আরো পড়ুন]
প্রিয় পাঠক, বসন্ত এসে গেছে। না, কেবল বাংলা সিনেমার গান হয়ে ভেসে আসা নয়, একেবারে সশরীরে ল্যান্ডিং! যদিও শীত চলে যাওয়া আর গরম পড়ে যাওয়ার মাঝের এই সময়টা আগের মতো নেই, বদলেছে অনেকটাই। তবু বসন্ত তো বসন্তই। তার এলোমেলো মনকেমন হাওয়া আর একটু একটু করে বাড়তে থাকা দিনের বেলার ভিতর সে জাঁকিয়ে বসতে শুরু করেছে। আর সেই সময়েই আপনাদের সামনে এসে হাজির কল্পবিশ্ব। তার পঞ্চম সংখ্যা নিয়ে।